দেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে—স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানসহ—আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে ই-রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন ও প্রোফাইল হালনাগাদ করার নির্দেশ দিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) এনটিআরসিএর পরিচালক তাসনিম জেবিন স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনও ই-রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেনি, তাদের নতুনভাবে নিবন্ধন করতে হবে। আর যেসব প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে নিবন্ধিত, তাদের প্রোফাইল হালনাগাদ করা আবশ্যক।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ই-রেজিস্ট্রেশন বা প্রোফাইল হালনাগাদ না করলে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে এনটিআরসিএর অনলাইন পোর্টালে শিক্ষক নিয়োগ চাহিদা (ই-রিকুইজিশন) জমা দিতে পারবে না। এটি মূলত শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে নেয়া হয়েছে।
অফিস আদেশে আরও বলা হয়েছে, জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের নিজেদের প্রোফাইলও হালনাগাদ করতে হবে। এছাড়া প্রতিটি জেলা শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাদের জেলার আওতাধীন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের ই-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নিশ্চিত করতে হবে।
এনটিআরসিএ জানিয়েছে, ই-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের ওয়েবসাইটে থাকা ‘ই-রেজিস্ট্রেশন সেবা’ বক্সে প্রদত্ত নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। প্রক্রিয়াটি মূলত অনলাইন নিবন্ধন, প্রোফাইল তথ্য হালনাগাদ, এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ও শিক্ষকের তথ্য যাচাই নিশ্চিত করার জন্য করা হয়েছে।
এনটিআরসিএর নতুন নির্দেশনার সারসংক্ষেপ টেবিলে দেওয়া হলো:
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| প্রযোজ্য প্রতিষ্ঠান | স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান |
| নির্দেশনার শেষ সময়সীমা | ৫ নভেম্বর ২০২৫ |
| কর্তৃপক্ষ | বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) |
| অফিস আদেশ প্রকাশক | পরিচালক তাসনিম জেবিন |
| প্রক্রিয়ার ধাপ | নতুন নিবন্ধন (যদি আগে না করা হয়) এবং প্রোফাইল হালনাগাদ |
| ফলাফল | সময়মতো না করলে অনলাইন শিক্ষক নিয়োগ চাহিদা জমা দেওয়া যাবে না |
| দায়িত্বশীল কর্মকর্তা | জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার |
| নির্দেশনার প্রয়োগ মাধ্যম | এনটিআরসিএ ওয়েবসাইটের ‘ই-রেজিস্ট্রেশন সেবা’ বক্স |
এনটিআরসিএর এই নির্দেশনার মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিবন্ধন ও প্রোফাইল তথ্য হালনাগাদে স্বচ্ছতা, নিয়মানুবর্তিতা এবং শিক্ষকের নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঠিকতা নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে।
