শিশু-কিশোরদের ওমরার জন্য যে শর্ত দিলো সৌদি আরব

শিশু-কিশোরদের ওমরার জন্য যে শর্ত দিলো সৌদি আরব। শিশু-কিশোরদের ওমরার জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করেছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। নতুন আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোরদের সাথে ওমরার সময় বয়োজ্যেষ্ঠ কেউ থাকতে হবে।মঙ্গলবার (১১ জুলাই) সৌদি আরবভিত্তিক গণমাধ্যম দি ইসলামিক ইনফরমেশনের এক প্রতিবেদনে নতুন আইনের কথা জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোরদের সাথে ওমরার সময় বয়োজ্যেষ্ঠ কেউ থাকতে হবে। একইসাথে সকল ওমরাহ কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানকে পিলগ্রিমস সার্ভিসের কন্ট্রোল ডকুমেন্ট অনুসরণ করতে হবে। চুক্তিবদ্ধ পরিষেবাগুলোর জন্য রিজার্ভেশনগুলো অবশ্যই আবাসন, গার্হস্থ্য পরিবহন, বীমা ও স্থল পরিবহনসহ প্রোগ্রাম কাঠামো মেনে চলতে হবে।

শিশু-কিশোরদের ওমরার জন্য যে শর্ত দিলো সৌদি আরব

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, আবাসিক পারমিট অবশ্যই সৌদি প্রবেশের পর কমপক্ষে ৯০ দিনের জন্য বৈধ হতে হবে। যেন ওমরাহ প্রোগ্রামটি হজযাত্রীদের প্রকৃত অবস্থানের সাথে মিলে যায়। এ, বি ও সি গ্রুপগুলোকে গত দুই বছরে একটি কোম্পানির কর্মক্ষমতার উপর ভিত্তি করে সংজ্ঞায়িত করা হয়। এই শ্রেণিবিভাগের ফলে ওমরার কার্যক্রম আরো ফলপ্রসূ ও সাশ্রয়ী হবে।

 

শিশু-কিশোরদের ওমরার জন্য যে শর্ত দিলো সৌদি আরব

 

যতক্ষণ না সৌদি আরবের ৭৫ ভাগ হজযাত্রী দেশে ফিরে যাচ্ছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত বি ও সি ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলো এই মৌসুমে তাদের প্রকৃত ইনপুটের বাইরে নতুন সংখ্যা ইনপুট করতে পারবে না। অধিক ভিড় যেন না হয়, সেজন্য এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যেন হজযাত্রীদের আগমন কার্যকরভাবে পরিচালনা করা যায়।

ওমরার যাত্রীরা আসার আগে এজেন্সিগুলোকে অবশ্যই আগমন-পূর্ববর্তী ডেটা প্রস্তুত করতে হবে। নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে সেসব সুরক্ষিত করতে হবে। পৃথক ওমরা যাত্রীদেরকে অবশ্যই জেনারেল সিন্ডিকেট অফ কার (জেএসসি) নীতিমালা মেনে চলতে হবে।

সৌদি আরবে পরিবহন ও পরিষেবা প্রদানের পাশাপাশি ওমরাযাত্রীদের দুই পবিত্র মসজিদে গাইড করা কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। উপরন্তু তাদের অবশ্যই প্রতিকূল আবহাওয়ায় ওমরার যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শনসহ প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করতে হবে।

 

শিশু-কিশোরদের ওমরার জন্য যে শর্ত দিলো সৌদি আরব

 

ওমরা যাত্রীদের সহায়তা করতে, যোগাযোগের তথ্য প্রদান করতে ও ইলেকট্রনিক পথের সাথে তাদের পরিচিত করতে পর্যাপ্ত প্রতিনিধি পাওয়া উচিত। যেন এর মাধ্যমে হজযাত্রীদের সামগ্রিক অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি পায়। একইসাথে সৌদি আরবে তাদের থাকার সময় সুস্থতা নিশ্চিত করতে হবে।

Leave a Comment