চট্রগামের সীতাকুণ্ডে একটি বেসরকারী কারখানায় অক্সিজেন প্লান্টে বিস্ফোরন ঘটে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও আরও ২২ জনকে মারাত্মক দগ্ধ অবস্হায় চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্হানীয় সুত্র জানায় শনিবার বিকেল সাড়ে ৪ টার পর সীতাকুন্ডের কদমরসুল এলাকায় ঢাকা-চট্রগ্রাম হাইওয়ের পাশে অবস্হিত ব্যাক্তি মালিকানাধীন সীমা অক্সিজেন প্লান্ট-এ বিকট শব্দে এ বিস্ফোরন ঘটে।
বিস্ফোরনে গোটা এলাকা কেঁপে উঠে এবং বিস্ফোরনস্হলসহ আশেপাশের পুরো এলাকা কাল ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।

কারখানাটিতে শতাধিক শ্রমিক কর্মচারী ওইসময় কর্মরত ছিলো বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা সংবাদমাধ্যম কে জানিয়েছেন।তাৎক্ষণিকভাবে বিস্ফোরনের কারন উদঘাটন হয়নি।
চট্রগামের সীতাকুণ্ডে ব্যাক্তিমালিকানাধীন অক্সিজেন প্লান্ট-এ বিস্ফোরণ
এদিকে, খবর পেয়ে প্রথমে স্হানীয় জনগন, পরে ফায়ার সার্ভিস ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্হলে পৌছে দ্রুত বিস্ফোরনে সৃষ্ট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করে ও উদ্ধারকাজ শুরু করে।
উদ্ধারকাজে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা অংশগ্রহণ করে।
উদ্ধারকাজের নিযুক্তরা জানায় তাৎক্ষনিকণাবে ৫ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে জরুরী ভিত্তিতে চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় অনেক আ্যাম্বুলেন্স আনা হয়েছে আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পৌছে দেয়ার জন্য। আহতদের অনেকের হাত ও পা থেতলে গেছে, কারও চোখ ও মাথায় আঘাতে ক্ষত ও জখমের সৃষ্টি হয়েছে।
কুমিরা ফায়ার সার্ভিস এর স্টেশন কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ বলেছেন আহতদের সংখ্যা তাৎক্ষনিক ভাবে বলা সম্ভব নয়।
তবে চট্রগ্রামের জেলা প্রশাসন থেকে সংবাদমাধ্যম কে জানানো হয়েছে যে রাত ৮ টা পর্যন্ত ২৩ জনকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে।

এদিকে নিহত ও আহতদের স্বজনরা দলে দলে হাসপাতালে ছুটে গেছেন প্রিয়জনের সর্বশেষ অবস্হা জানতে। তাদের আহাজারিতে হাসপাতালের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
বিস্ফোরনের কারন জানতে জেলা প্রশাসন একটি ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে আগামী সাতদিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়
আরও দেখুনঃ