শেখ তন্ময় একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও একাদশ জাতীয় সংসদ সদস্য। তিনি বাগেরহাট-২ আসন থেকে ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
Table of Contents
শেখ -তন্ময় । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

প্রারম্ভিক জীবন
শেখ -তন্ময় ১৯৮৭ সালের ২৯ জুন জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম শেখ হেলাল উদ্দীন ও মাতার নাম শেখ রুপা চৌধুরী। তিনি তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত ঢাকায় অধ্যয়নের পর ভারতে একটি আবাসিক বিদ্যালয়ে গমন করেন। তবে পরবর্তীতে পুনরায় ঢাকাতে ও লেভেল এবং এ লেভেল সম্পন্ন করেন। ২০০৭ সালে পুনরায় ভারত গমন করেন ও ২০১২ সালে দেশে ফিরে আসেন। পরবর্তীতে লন্ডন থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। সিঙ্গাপুরে একটি কোম্পানিতে চাকুরীর মাধ্যমে তন্ময় প্রথম কর্মজীবন শুরু করেন।
রাজনৈতিক জীবন
শেখ- তন্ময় রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে উঠলেও রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না। ২০০১ সালে তিনি আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সাথে যুক্ত ছিলেন। ২০১৭ সালে আওয়ামী লীগের বাগেরহাট পৌর শাখার সদস্যপদ লাভের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-২ আসন থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে প্রথমবারেরমত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন
শেখ -তন্ময় ব্যক্তিগত জীবনে শেখ ইফরারের সাথে ২০১৫ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।ইফরার শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত আছেন। তন্ময়ের পিতা শেখ হেলাল উদ্দীন বাগেরহাট-১ আসন থেকে কয়েকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পারিবারিকভাবে তন্ময় বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক শেখ-ওয়াজেদ পরিবারের সাথে সম্পৃক্ত। তন্ময়ের দাদা শেখ আবু নাসের যিনি শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ভাই।

শেখ হেলাল সম্পর্কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই। অর্থাৎ শেখ হাসিনা তার ফুুুফু হন।তার বোন শেখ সায়রা রহমান বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির সভাপতি আন্দালিব রহমান পার্থর সাথে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ (বাংলা: বাংলাদেশ গণসংঘ) বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী এবং বর্তমান ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল। এই রাজনৈতিক দলটির গোড়াপত্তন হয় ২৩ জুন ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। পরবর্তী কালে এর নাম ছিল নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। ১৯৭০ সাল থেকে এর নির্বাচনী প্রতীক নৌকা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ১৯৫৫ সালে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক আদর্শের অধিকতর প্রতিফলন ঘটানোর জন্য এর নাম “আওয়ামী লীগ” করা হয়।

ইতিহাস
প্রতিষ্ঠা
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশেমের নেতৃত্বাধীন তৎকালীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একাংশের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার টিকাটুলীর কেএম দাস লেন রোডের রোজ গার্ডেন প্যালেসে ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’ প্রতিষ্ঠিত হয়, যার সভাপতি ছিলেন টাঙ্গাইলের মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং সাধারণ সম্পাদক টাঙ্গাইলের শামসুল হক।
পরবর্তীকালে, ১৯৫৫ সালে মওলানা ভাসানীর উদ্যোগে ধর্মনিরপেক্ষতার চর্চা এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগঠনটির নাম থেকে পরে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়; নাম রাখা হয়: ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’।
আরও দেখুনঃ