সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিটে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ধলাই এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মানিকগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের একটি দল অভিযানে অংশ নেয়।
অধিদপ্তরের মানিকগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক হুমায়ুন কবির খন্দকারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে উপপরিদর্শক মো. মোর্শেদ আলমের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় পলাতক আসামি জুয়েলের নিজ দখলে থাকা বসতঘরে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে ৫০টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয় এবং আরিফকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে জুয়েলকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি।
গ্রেপ্তার আরিফ (৩০) মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের ধলাই গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম রুস্তম আলী। অপরদিকে, পলাতক জুয়েল (৩৮) একই গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মৃত সাইজুদ্দিন বেপারী।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আরিফ ও জুয়েল পরস্পরের যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁদের দুজনের বিরুদ্ধে মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
অভিযানে একজনকে গ্রেপ্তার করা গেলেও অপর অভিযুক্তকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তাঁর অবস্থান শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
বাংলাদেশে ইয়াবাসহ মাদকদ্রব্যের অবৈধ বিক্রি ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে। এসব অভিযানে মাদক উদ্ধার, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। স্থানীয় পর্যায়ে মাদকের বিস্তার ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে মামলায় অভিযুক্ত হওয়া বা গ্রেপ্তার হওয়ার অর্থ অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়। আরিফ ও জুয়েলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। সংশ্লিষ্ট আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের নির্দোষ বলে গণ্য করার আইনি নীতি প্রযোজ্য থাকবে।









