প্রবীণ সাংবাদিক এ এস এম হাবিবুল্লাহ ইন্তেকাল

জাতীয় প্রেস ক্লাবের জীবন সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট সাংবাদিক এ এস এম হাবিবুল্লাহ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি শনিবার (১১ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৫টায় ময়মনসিংহ শহরের সানকিপাড়া এলাকার আব্দুল্লাহ ভিলায় নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

এ এস এম হাবিবুল্লাহ ১৯৩৫ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। কর্মজীবনে তিনি দেশের সাংবাদিকতা অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর প্রধান বার্তা সম্পাদক (সিএনই) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকার বাংলাদেশ প্রতিনিধি হিসেবেও কাজ করেন। তাঁর পেশাগত জীবনে সংবাদ পরিবেশনা, সম্পাদনা ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের অভিজ্ঞতা উল্লেখযোগ্য।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক ছেলে ও চার মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী এবং শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে সাংবাদিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত।

শনিবার বাদ এশা ময়মনসিংহের সানকিপাড়া প্রাইমারি স্কুল সংলগ্ন মসজিদে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ এবং সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া এক যৌথ বিবৃতিতে তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে তাঁরা মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

নিচে তাঁর জীবন ও কর্মের সংক্ষিপ্ত তথ্য উপস্থাপন করা হলো:

বিষয়তথ্য
নামএ এস এম হাবিবুল্লাহ
জন্ম১৯৩৫ সাল, ময়মনসিংহ
মৃত্যু১১ এপ্রিল, ভোর ৫:৩০
বয়স৯১ বছর
পেশাসাংবাদিক
উল্লেখযোগ্য পদপ্রধান বার্তা সম্পাদক (বাসস), বাংলাদেশ প্রতিনিধি (ভয়েস অব আমেরিকা)
পারিবারিক অবস্থাএক ছেলে, চার মেয়ে
দাফনময়মনসিংহ পারিবারিক কবরস্থান

এ এস এম হাবিবুল্লাহর মৃত্যুতে দেশের সাংবাদিকতা অঙ্গনে একটি শূন্যতা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা উল্লেখ করেছেন। তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা এবং দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি যে অবদান রেখে গেছেন, তা সহকর্মীদের স্মৃতিতে দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষিত থাকবে।