প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো সিলেট সফরে আসছেন তারেক রহমান। পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী তাঁর এই সফর ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে তা পরিবর্তন করে নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ মে। সংশোধিত এই সূচি সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী এবং সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সিলেট সফরকালে তিনি সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সফরকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক প্রস্তুতি জোরদার করা হচ্ছে। সফরটি ঘিরে সংশ্লিষ্ট সব পর্যায়ে সমন্বয় কার্যক্রম চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এর আগে ১ এপ্রিল সিলেটে এসে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ৩০ এপ্রিল সিলেট সফরে আসবেন। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেই তারিখ পরিবর্তন করে ২ মে নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন সূচি অনুযায়ী সফরকালে প্রধানমন্ত্রীর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো বিশ্বনাথ উপজেলার বাসিয়া নদী খনন কাজের উদ্বোধন। পাশাপাশি একই দিনে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে উপস্থিত হয়ে ‘নতুন কুঁড়ি ক্রীড়া কর্মসূচি’ উদ্বোধনের কথা রয়েছে।
নিচে সফর সংক্রান্ত প্রধান তথ্যগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো—
| বিষয় | পূর্ব নির্ধারিত তথ্য | বর্তমান তথ্য |
|---|---|---|
| সফরের তারিখ | ৩০ এপ্রিল | ২ মে |
| সফরকারী | তারেক রহমান | তারেক রহমান |
| সফরের ধরন | সিলেট সফর | সিলেট সফর (সংশোধিত সূচি) |
| প্রধান কার্যক্রম | উল্লেখ ছিল না বিস্তারিতভাবে | বাসিয়া নদী খনন উদ্বোধন, নতুন কুঁড়ি ক্রীড়া কর্মসূচি উদ্বোধন |
| স্থান | সিলেট | সিলেট ও বিশ্বনাথ উপজেলা |
সফরসূচি অনুযায়ী, বাসিয়া নদীর খনন কাজ উদ্বোধনের মাধ্যমে নদী ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রমে একটি নতুন ধাপ যুক্ত হবে বলে কর্মসূচিতে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত কর্মসূচির মাধ্যমে ‘নতুন কুঁড়ি ক্রীড়া কর্মসূচি’ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে।
উল্লেখ্য, গত ২১ জানুয়ারি সিলেট থেকেই তারেক রহমান তাঁর নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। পরবর্তীতে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হয়ে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তাঁর প্রথম সিলেট সফর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা সরকারি ও প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করছে এবং নির্ধারিত কর্মসূচি নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
