নাটোরে বৃহস্পতিবার আট ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ

নাটোরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ও গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বাইপাস ফিডার এলাকায় আগামী বৃহস্পতিবার আট ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি’র বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ, নাটোর দপ্তর এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে লাইন সংলগ্ন গাছের ডালপালা কর্তন করা হবে। বিশেষ করে বাইপাস ফিডার এলাকায় বিদ্যুৎ লাইনের সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বেড়ে ওঠা গাছের শাখা-প্রশাখা বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে এবং সম্ভাব্য দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। এ কারণেই এই সাময়িক বিদ্যুৎ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্ধারিত এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। কাজ শেষ হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ পুনরায় চালু করা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সাময়িক এই অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় পানির পাম্প, ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং গৃহস্থালির দৈনন্দিন কাজ বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল, তাদের আগেভাগে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে দীর্ঘমেয়াদে আরও নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ঝড়-বৃষ্টি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় গাছের ডাল বিদ্যুৎ লাইনের ওপর পড়ে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটাতে পারে, তাই নিয়মিতভাবে এসব ঝুঁকি অপসারণ করা হয়।

নিম্নে বিদ্যুৎ বন্ধ সংক্রান্ত প্রধান তথ্যগুলো সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো—

বিষয়বিবরণ
এলাকাবাইপাস ফিডার এলাকা, নাটোর
সময়সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা
মোট সময়কাল৮ ঘণ্টা
কারণবিদ্যুৎ লাইনের পাশে গাছের ডালপালা কর্তন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ
দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থানর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি, নাটোর দপ্তর
প্রভাবসাময়িক বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ

স্থানীয় প্রশাসন ও বিদ্যুৎ বিভাগ যৌথভাবে কাজটি বাস্তবায়ন করবে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, কাজ শেষ হলে ওই এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ আরও স্থিতিশীল ও নিরাপদ হবে।

সব মিলিয়ে, সাময়িক এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট জনজীবনে কিছুটা অসুবিধা তৈরি করলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি একটি প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা বিদ্যুৎ ব্যবস্থার মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।