সরকারি ছুটি সাত দিন থাকবে ঈদ উপলক্ষে

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এবছর পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি একদিন বৃদ্ধি পেয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় রোববার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানা গেছে, শবে কদর ও ঈদুল ফিতরের ছুটি মিলিয়ে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি উপভোগ করবেন। তবে সব খাত ও সেবা এই ছুটির আওতায় থাকবে না; জরুরি সেবা চালু রাখতে কিছু সেক্টরকে ছুটির বাইরে রাখা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট বলা হয়েছে, সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসগুলো বন্ধ থাকবে। তবে জনস্বার্থে জরুরি সেবা প্রদানের জন্য নির্দিষ্ট সেক্টরগুলো ছুটির আওতামুক্ত থাকবে।

জরুরি সেবা চালু থাকবে এমন সেক্টরসমূহ

সেক্টরআওতামুক্ত কার্যক্রমমন্তব্য
বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানিসরবরাহ ও রক্ষণাবেক্ষণজরুরি সেবা অব্যাহত থাকবে
ফায়ার সার্ভিসঅগ্নি নিভন ও তদারকি২৪ ঘণ্টা চলবে
বন্দর কার্যক্রমযানবাহন ও মালামাল পরিবহনআন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বন্দর সচল থাকবে
পরিচ্ছন্নতা ও স্যানিটেশনশহর পরিচ্ছন্নতা, আবর্জনা সংগ্রহনিয়মিত কার্যক্রম চলবে
ডাক ও টেলিযোগাযোগডাক সেবা, ইন্টারনেট ও ফোনজরুরি সেবা অব্যাহত থাকবে
হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসাচিকিৎসক ও নার্সের ডিউটিজরুরি চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ হবে না
ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনসংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীসরবরাহ অব্যাহত থাকবে

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ব্যাংক ও আদালতের কার্যক্রম বিষয়ে যথাযথ নির্দেশনা প্রদান করবে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সুপ্রিম কোর্ট। বেসরকারি শিল্প-কারখানা ও প্রতিষ্ঠানের জন্য শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

নির্ধারিত ছুটির দিনসমূহ

তারিখউপলক্ষমন্তব্য
১৭ মার্চপবিত্র শবে কদরসাধারণ ছুটি
১৮ মার্চবিশেষ সরকারি ছুটিনির্বাহী আদেশ অনুযায়ী
১৯ মার্চঈদ পূর্ববর্তী ছুটিনির্বাহী আদেশ অনুযায়ী
২০ মার্চঈদ পূর্ববর্তী ছুটিনির্বাহী আদেশ অনুযায়ী
২১ মার্চঈদুল ফিতরসাধারণ ছুটি
২২ মার্চঈদ পরবর্তী ছুটিনির্বাহী আদেশ অনুযায়ী
২৩ মার্চঈদ পরবর্তী ছুটিনির্বাহী আদেশ অনুযায়ী

সার্বিকভাবে, সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা শবে কদর ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাত দিনের ছুটি উপভোগ করবেন। তবে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা ও জরুরি সেবা সম্পর্কিত সেক্টরগুলো কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। এতে জনসাধারণের দৈনন্দিন জীবন ও সেবা গ্রহণে কোনও প্রভাব পড়বে না, এবং দেশের জরুরি সেবা নিরবচ্ছিন্নভাবে চলমান থাকবে।

এই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকারী ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ছুটির পরিকল্পনা করে জনসাধারণের সুবিধা নিশ্চিত করবে।