আন্তর্জাতিক পপ আইকন শাকিরা আবারও ভারতে পারফর্ম করতে যাচ্ছেন। জনপ্রিয় এই কলাকুশলী আগামী ১০ এপ্রিল মুম্বাইয়ের মহালক্ষ্মী রেসকোর্স এবং ১৫ এপ্রিল দিল্লির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়াম-এ সঙ্গীত পরিবেশন করবেন। এই অনুষ্ঠানের নাম ‘ফিডিং ইন্ডিয়া কনসার্ট ২০২৬’ এবং এটি ফিডিং ইন্ডিয়া নামের দাতব্য সংস্থা ও ডিস্ট্রিক্ট বাই জোমাটো-র যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করা হচ্ছে।
এই কনসার্ট শুধু বিনোদনের জন্য নয়, বরং ক্ষুধা ও অপুষ্টি সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধি করতেও লক্ষ্য রাখা হয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, শাকিরা ছাড়াও আন্তর্জাতিক এবং ভারতীয় বিভিন্ন তারকা এই কনসার্টে পারফর্ম করবেন।
শাকিরা একটি বিবৃতিতে বলেন,
“ভারতে পারফর্ম করা সবসময়ই আমার জন্য বিশেষ। মুম্বাই ও দিল্লির ভক্তদের সঙ্গে আবারও যুক্ত হতে পেরে আমি রোমাঞ্চিত। ফিডিং ইন্ডিয়া কনসার্ট শুধুমাত্র সংগীত নয়; এটি একসঙ্গে দাঁড়িয়ে নিশ্চিত করা যে প্রতিটি শিশু তার বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়।”
শুধু তারকাখ্যাতিই নয়, শাকিরা তাঁর ‘বেয়ারফুট ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে শিক্ষা ও শিশু কল্যাণেও দীর্ঘদিন কাজ করে যাচ্ছেন। এই উদ্যোগ ফিডিং ইন্ডিয়ার লক্ষ্য ‘ক্ষুধা ও অপুষ্টিমুক্ত দেশ’ গড়ার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।
ফিডিং ইন্ডিয়া কনসার্ট একটি কমিউনিটি-চালিত উদ্যোগ, যার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) ‘জিরো হাঙ্গার’ অর্জনের প্রচেষ্টাকে ত্বরান্বিত করা।
এই কনসার্টে অংশগ্রহণকারী স্থানসমূহ ও তারিখের সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নরূপ:
| তারিখ | শহর | ভেন্যু | লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য |
|---|---|---|---|
| ১০ এপ্রিল ২০২৬ | মুম্বাই | মহালক্ষ্মী রেসকোর্স | ক্ষুধা ও অপুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি |
| ১৫ এপ্রিল ২০২৬ | দিল্লি | জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়াম | শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং বিনোদন প্রদানের পাশাপাশি দাতব্য সচেতনতা সৃষ্টি |
শাকিরা প্রায় দুই দশক আগে প্রথমবার ভারতে কনসার্ট করেছিলেন। সর্বশেষ ২০০৭ সালে ‘ওরাল ফিক্সেশন’ ট্যুরের অংশ হিসেবে মুম্বাইয়ে তিনি পারফর্ম করেছিলেন। তার এই নতুন সফর মুম্বাই ও দিল্লির ভক্তদের জন্য অবশ্যই আনন্দের মুহূর্ত উপহার দেবে।
শাকিরার সংগীত ও মানবিক উদ্যোগ একসঙ্গে মিলিত হয়ে ভারতের শিশু ও পরিবারগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রচার করবে, যা কেবল বিনোদন নয়, সামাজিক সচেতনতাকেও এগিয়ে নিয়ে যাবে।
এই কনসার্টের মাধ্যমে শাকিরা আবার প্রমাণ করছেন যে, তার সঙ্গীত শুধু বিনোদন নয়, বরং মানব কল্যাণের পথে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার।
