দেশের সকল স্থলবন্দর সাময়িকভাবে ২৪ ঘণ্টা বন্ধ

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সরকার দেশের সব স্থলবন্দর ও সীমান্তবর্তী ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ২৪ ঘণ্টার জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সরকারি নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আরিফুর রহমান মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নির্দেশনা জারি করেছেন। চিঠিতে বলা হয়েছে যে, ১২ ফেব্রুয়ারি ভোর ৬টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোর ৬টা পর্যন্ত দেশের সব স্থলবন্দরের বহির্গমন ও আগমন কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। এই সময়ে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর ও কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সরকারের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই পদক্ষেপটি নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সীমান্ত দিয়ে অনিয়মিত চলাচল রোধ করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়াকে নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করার জন্য সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নিম্নে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দরগুলির সাময়িক বন্ধকাল সম্পর্কে তথ্য সংযুক্ত করা হলো:

স্থলবন্দর/চেকপোস্টবহির্গমন ও আগমন বন্ধকালবিশেষ নির্দেশনা
বেনাপোল১২ ফেব্রুয়ারি ভোর ৬ – ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোর ৬সমস্ত সীমান্ত কার্যক্রম বন্ধ
হাকিমপুর১২ ফেব্রুয়ারি ভোর ৬ – ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোর ৬প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ
কুয়াকাটা১২ ফেব্রুয়ারি ভোর ৬ – ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোর ৬চেকপোস্টে জনসাধারণের প্রবেশ সীমিত
তাজুয়া১২ ফেব্রুয়ারি ভোর ৬ – ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোর ৬সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন

উল্লেখযোগ্য যে, এই সময়সীমায় বেনাপোল, হাকিমপুর, কুয়াকাটা, তাজুয়া ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দরগুলিতে যেকোনো ধরণের পাসপোর্ট যাচাই, ভিসা প্রসেসিং বা ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক যাত্রা সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।

সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, সীমান্তে সুষ্ঠু নজরদারি বজায় রাখা এবং জনগণের সুষ্ঠু চলাচল নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই ২৪ ঘণ্টার বিরতি শুধুমাত্র নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলা রক্ষার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।

স্মরণযোগ্য যে, প্রতিটি নির্বাচন ও গণভোটের সময় সরকারই এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে যাতে ভোটগ্রহণ কার্যক্রমকে বাধামুক্ত রাখা যায় এবং সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে কোনো অনিয়মিত কার্যক্রম না ঘটে।