ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

আন্তর্জাতিক

মালয়েশিয়া ফিরিয়ে দিল ১৩৫ বাংলাদেশিসহ অভিবাসী

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ৩ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১:৫ পিএম

মালয়েশিয়া ফিরিয়ে দিল ১৩৫ বাংলাদেশিসহ অভিবাসী

জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যের পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপো থেকে মোট ১৩৫ জন অভিবাসী বন্দিকে নিজ নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। এদের মধ্যে বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও কম্বোডিয়ার নাগরিকরা রয়েছেন। মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ এই কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালনা করছে, যাতে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা দেশটিতে পুনরায় প্রবেশ না করতে পারে।

ইমিগ্রেশন বিভাগের বরাত অনুযায়ী, প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যা মিয়ানমারের নাগরিকদের—মোট ১১২ জন। এছাড়া ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক ১১ জন, বাংলাদেশের নাগরিক ৯ জন, শ্রীলঙ্কার নাগরিক ২ জন এবং কম্বোডিয়ার নাগরিক ১ জন রয়েছে। প্রত্যেক বন্দি মালয়েশিয়ায় টর্চার আইনসহ বিভিন্ন আইন লঙ্ঘনের দায়ে দণ্ড ভোগ করেছে এবং দণ্ডমুক্তির পরই তাদের নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।

প্রত্যাবাসিত বন্দিদের পরিবহন ব্যবস্থা কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (KLIA-১ ও KLIA-২) এবং পাসির গুদাং ফেরি টার্মিনালের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়েছে। ইমিগ্রেশন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রত্যাবাসিত সকলের নাম ব্ল্যাকলিস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমা পর্যন্ত তারা কোনোভাবেই মালয়েশিয়ায় পুনঃপ্রবেশ করতে পারবে না।

জোহর রাজ্য ইমিগ্রেশন বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “আমাদের উদ্দেশ্য হলো দেশে অবস্থানরত দণ্ডপ্রাপ্তদের পুনঃপ্রবেশ প্রতিরোধ করা। এজন্য নিয়মিতভাবে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাইনঅ্যাপল টাউন ডিটেনশন ডিপোতে বন্দিদের পুনর্বাসন ও ফেরত পাঠানো সব সময় নিয়মিতভাবে তদারকি করা হয়।”

প্রত্যাবাসিত বন্দিদের দেশভিত্তিক বিবরণ নিচের টেবিলে দেওয়া হলো:

দেশনাগরিক সংখ্যাপরিবহন মাধ্যম
মিয়ানমার১১২বিমান (KLIA-১ ও KLIA-২)
ইন্দোনেশিয়া১১বিমান (KLIA-১ ও KLIA-২)
বাংলাদেশবিমান (KLIA-১ ও KLIA-২)
শ্রীলঙ্কাবিমান (KLIA-১ ও KLIA-২)
কম্বোডিয়াফেরি (পাসির গুদাং টার্মিনাল)

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের নিয়মিত প্রতিবেদনে প্রকাশ, এই ধরনের প্রত্যাবাসন কার্যক্রম মূলত অপরাধ ও অনৈতিক কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত অভিবাসীদের নিয়ন্ত্রণে রাখার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়। ডিটেনশন ডিপোতে বন্দিদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পরই তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

এই পদক্ষেপের মাধ্যমে মালয়েশিয়া অবৈধ অভিবাসী নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিবাসী ব্যবস্থাপনার একটি স্বচ্ছ ও ন্যায্য উদাহরণ স্থাপন করছে।

মন্তব্য