আর লুকোচুরি নয়, প্রেমের স্বীকৃতি দিলেন তারা

প্রেমের গল্প সবসময় ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠে, কখনও ফিসফিসে, চোখে চোখে, কখনও অদৃশ্য ইঙ্গিতের মাধ্যমে। বলিউড অভিনেত্রী দিশা পাটানি ও পাঞ্জাবি গায়ক তলবিন্দর সিং সিধু–এর সম্পর্কও এমনই নীরব গুঞ্জনের মধ্যে গড়ে উঠেছিল। বহু মাস ধরে মিডিয়া ও নেটিজেনরা তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা অনুমান করলেও সম্প্রতি তারা একেবারে জনসমক্ষে প্রেমের স্বীকৃতি দিয়েছেন।

এই সম্পর্কের সূত্রপাত হয় চলতি মাসের শুরুতে, উদয়পুরে বলিউড অভিনেত্রী নূপুর শ্যাননের বিয়ের অনুষ্ঠানে। বিয়ের ভিড়ে উপস্থিত ছিলেন বলিউড ও সংগীত জগতের একাধিক পরিচিত মুখ। সেই ভিড়ের মধ্যে আলাদা করে নজরে পড়েন দিশা ও তলবিন্দর। সেই সময় দিশার পাশে থাকা ব্যক্তিটির পরিচয় তখনো রহস্যময়।

নূপুরের বিয়ের একটি ভিডিওতে প্রথমবার স্পষ্ট দেখা যায় দিশার পাশে থাকা সেই ব্যক্তিকে। ভিডিওটি প্রকাশ হতেই নেটিজেনদের মধ্যে প্রশ্ন জন্মে – “তিনি কে?” এবং “দিশার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কী?” বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ হলেও গুঞ্জন থামেনি। উদয়পুর থেকে মুম্বাই ফেরার ফ্লাইটেও একই সঙ্গে দেখা যায় তাদের। পরে নূপুরের রিসেপশনেও একসঙ্গে উপস্থিত হন তারা।

সবচেয়ে চমকপ্রদ মুহূর্ত আসে মুম্বাইয়ের লোলাপালুজা ইন্ডিয়া আয়োজনে। আন্তর্জাতিক শিল্পী কেহলানির সঙ্গে পারফরম্যান্স শেষে, ভিড় ঠেলে নিরাপত্তার বেষ্টনী পেরিয়ে তারা অনুষ্ঠানস্থল ছাড়ার সময় ক্যামেরাবন্দি হয় দিশা ও তলবিন্দরের হাত ধরে হাঁটার দৃশ্য। কোনো তাড়া নেই, কোনো অস্বস্তি নেই। মুহূর্তটি সংক্ষিপ্ত হলেও বার্তাটি স্পষ্ট – এই প্রেম আর গুঞ্জনের নয়, বাস্তব।

এই দৃশ্যের পর তারা একই গাড়িতে করে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন, সঙ্গী ছিলেন কয়েকজন বন্ধু। ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়। কেউ বিস্মিত, কেউ রোমাঞ্চিত, কেউ আবার বিশ্বাস করতে পারছেন না।

নিচের টেবিলে এই সম্পর্কের মূল তথ্য সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:

বিষয়বিবরণ
ব্যক্তিত্বদিশা পাটানি (অভিনেত্রী), তলবিন্দর সিং সিধু (গায়ক)
সম্পর্কের সূত্রপাতচলতি মাসের শুরু, উদয়পুর
প্রথম জনসমক্ষে দৃশ্যনূপুর শ্যাননের বিয়ে ও লোলাপালুজা ইন্ডিয়া অনুষ্ঠান
সামাজিক প্রতিক্রিয়ানেটিজেনদের বিস্ময় ও উচ্ছ্বাস
আনুষ্ঠানিক ঘোষণাএখনও কোনো পোস্ট বা বিবৃতি নেই

যদিও তারা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেমের ঘোষণা দেননি, তবে হাত ধরে হাঁটার সেই মুহূর্তই যথেষ্ট। প্রেমের অনেক গল্পই প্রকাশের জন্য অপেক্ষা করে। দিশা ও তলবিন্দরের গল্পও এখন গুঞ্জন পেরিয়ে জনসমক্ষে এসেছে, যা প্রমাণ করে – কখনও কখনও হাত ধরা এক মুহূর্তেই যথেষ্ট।