জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি তার নীতিমালার একজন গ্রাহক, জনাব জালালের মৃত্যু দাবি (ডেথ ক্লেইম) দ্রুত নিষ্পত্তি করে ৯৭০,৪০০ টাকা প্রদান করেছে। ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, রবিবার, কোম্পানির সদর দপ্তরে এই চেক আনুষ্ঠানিকভাবে নিহতের স্ত্রী এবং নমিনি, মিসেস শিখার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জনাব এস. এম. নুরুজ্জামান, হেড অব অর্গানাইজেশন জনাব মো. আব্দুল কাদের, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট (আন্ডাররাইটিং ও ক্লেইমস) জনাব শাহাদত হোসেন, এবং ডেপুটি ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ডেপুটি কোম্পানি সেক্রেটারি জনাব মো. নজরুল ইসলাম।
সিইও জনাব নুরুজ্জামান অনুষ্ঠানে বলেন, “জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স তার নীতিমালার গ্রাহকদের প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। সময়মতো এবং স্বচ্ছভাবে দাবিসমূহ নিষ্পত্তি করার মাধ্যমে আমরা আমাদের গ্রাহকদের আস্থা রক্ষা করি। শারীয়াহ-অনুসারী জীবনবীমা সেবা প্রদান করে আমরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও যোগ করেন, “দ্রুত দাবিসম্পাদন একটি জীবনবীমা প্রতিষ্ঠানের সত্যিকারের সক্ষমতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার পরিচায়ক।”
জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি দীর্ঘদিন ধরে বীমা খাতে পেশাদারিত্বের মানদণ্ড স্থাপন করেছে। বিশেষ করে দাবিসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তি এবং গ্রাহক সন্তুষ্টি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কোম্পানিটি সুপরিচিত। তাদের সব জীবনবীমা পরিকল্পনা শারীয়াহ-অনুসারী, যা আর্থিক নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতার ওপর জোর দেয়।
নিম্নলিখিত টেবিলে দাবির মূল তথ্যগুলো সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো:
| বিবরণ | তথ্য |
|---|---|
| নীতিমালার গ্রাহক | জনাব জালাল |
| দাবি অর্থ | ৯৭০,৪০০ টাকা |
| নমিনি/প্রাপক | মিসেস শিখা (স্ত্রী) |
| চেক হস্তান্তরের তারিখ | ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ |
| চেক হস্তান্তরের স্থান | জেনিথ ইসলামী লাইফ সদর দপ্তর, ঢাকা |
| উপস্থিত কর্মকর্তা | এস. এম. নুরুজ্জামান (সিইও), মো. আব্দুল কাদের, শাহাদত হোসেন, মো. নজরুল ইসলাম |
| কোম্পানির নীতি | সময়মতো এবং স্বচ্ছ দাবিসম্পাদন; শারীয়াহ-অনুসারী জীবনবীমা সেবা |
জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির এই দ্রুত পদক্ষেপ প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহকসেবা ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের প্রতি অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। কোম্পানিটি বলেছে যে, পেশাদারিত্ব, নির্ভরযোগ্যতা ও গ্রাহক-কেন্দ্রিক জীবনবীমা সেবা প্রদানে তাদের অঙ্গীকার অব্যাহত থাকবে, এবং গ্রাহক ও তাদের পরিবারের আর্থিক কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
