জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘শিরোনামহীন’–এর ভোকালিস্ট শেখ ইশতিয়াক জীবনের একটি নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছেন—তারকা গায়ক ও ব্যান্ডের মুখ হিসেবে নয়, এবার ব্যক্তিগত জীবনে নতুন দাম্পত্য জীবন শুরু করে। শনিবার, ১০ জানুয়ারি ২০২৬, রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকার একটি প্রাইভেট রিসোর্টে পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয় তাঁর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। অনুষ্ঠানটি ঘনিষ্ঠতার সঙ্গে আধুনিক সাংস্কৃতিক ছোঁয়া মিশিয়ে আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে সঙ্গীত, আনন্দ এবং উদযাপনের নিখুঁত সমন্বয় লক্ষ্য করা যায়।
বিয়ের বিশেষ মুহূর্তগুলোর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল—নিজের বিয়েতে শিরোনামহীন ব্যান্ডের পারফরম্যান্স। মঞ্চে ইশতিয়াকের পাশে নববধূকে হাসি ও আনন্দে ভরপুর অবস্থায় দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে অতিথিরা ব্যান্ডের লাইভ পারফরম্যান্স উপভোগ করতে দেখা গেছে।
রোববার, ১১ জানুয়ারি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের ছবি শেয়ার করে ইশতিয়াক লিখেছেন:
“আলহামদুলিল্লাহ। গতকাল আমরা একসাথে নতুন যাত্রা শুরু করেছি। আমাদের প্রার্থনায় রাখুন। আল্লাহ আমাদের বিয়েকে ভালোবাসা, ধৈর্য ও বোঝাপড়ার আশীর্বাদে ভরে দিন। আমরা যেন বিশ্বাস ও মায়া নিয়ে একসাথে বেড়ে উঠতে পারি।”
নববধূর পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় ব্যান্ডের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিয়ের খবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, যেখানে লেখা হয়:
“হ্যালো! আজ আমরা একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে যাচ্ছি। ঠিকই শুনেছেন—আজ আমাদের শেখ ইশতিয়াকের বিয়ে। তাঁর জীবনের এই নতুন ইনিংসের জন্য সবার কাছে দোয়া চাইছি।”
শেখ ইশতিয়াক একজন একক শিল্পী হিসেবে সংগীতজীবন শুরু করেছিলেন। ২০১৭ সালে তিনি ব্যান্ড শিরোনামহীন-এ যোগ দেন এবং অল্প সময়ে নিজেকে শক্তিশালী ভোকালিস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। তাঁর জনপ্রিয় গান ‘এই অবেলায়’ তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত সিক্যুয়েল ‘এই অবেলায় ২’–ও সমানভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
শেখ ইশতিয়াকের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| ব্যান্ডে যোগদান | ২০১৭ |
| জনপ্রিয় গান | ‘এই অবেলায়’, ‘এই অবেলায় ২’ |
| বিয়ের তারিখ | ১০ জানুয়ারি ২০২৬ |
| বিয়ের স্থান | ৩০০ ফিট এলাকা, ঢাকা |
| অনুষ্ঠান ধরন | পরিবার ও ঘনিষ্ঠজন উপস্থিতি |
| নববধূ পরিচয় | প্রকাশ করা হয়নি |
| সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার | ১১ জানুয়ারি ২০২৬ |
উপসংহারে, শেখ ইশতিয়াকের এই বিয়ের মাধ্যমে ব্যক্তিগত জীবন ও পেশাদার সংগীতকর্মের মধ্যে একটি সার্থক সমন্বয় সৃষ্টি হয়েছে। এটি শুধুমাত্র তার নিজস্ব আনন্দ নয়, বরং ফ্যান ও অনুসারীদের জন্যও একটি উৎসবের মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, যা তার নতুন জীবন ও সংগীত ক্যারিয়ারের শুরুতে এক অনন্য আবহ সৃষ্টি করেছে।
