নিরাপত্তায় নিয়োজিত ১০ হাজার আইনশৃঙ্খলা সদস্য

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মঙ্গলবার দুপুরে অনুষ্ঠিত এক সভায় জানা গেছে, জানাজাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ১০ হাজার সদস্য মোতায়েন থাকবে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, “খালেদা জিয়ার দাফন ও জানাজা পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টাসহ সব উপদেষ্টা উপস্থিত থাকবেন।”

সভায় উপস্থিত উপদেষ্টারা বিস্তারিতভাবে খালেদা জিয়ার দাফন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং অন্যান্য সার্বিক বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। সভার সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টারা। তাদের নাম ও দায়িত্ব সংক্ষেপে নিচের টেবিলে দেওয়া হলো:

উপদেষ্টাদায়িত্ব/মন্ত্রণালয়
আ ফ ম খালিদ হোসেনধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা
আসিফ নজরুলআইন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান, যুব ও ক্রীড়া
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেননৌপরিবহন, শ্রম ও কর্মসংস্থান
মোস্তফা সরয়ার ফারুকীসংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা
আদিলুর রহমান খানস্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, শিল্প, গৃহায়ন ও গণপূর্ত
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানবিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানপরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, পানিসম্পদ, তথ্য
ফারুক ই আজমমুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ

প্রেস সচিব শফিকুল আলম আরও জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জনগণের সুরক্ষা ও যানজট নিয়ন্ত্রণে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, জোন ও জানাজাস্থলে বিশেষ টিম মোতায়েন করা হবে। এছাড়া, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়ার দাফন অনুষ্ঠান নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা রাখা হয়েছে।

এই অবস্থায় নিরাপত্তা, যানজট নিয়ন্ত্রণ ও জনসমাগম সমন্বয়ের জন্য পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও আনসার বাহিনীর পাশাপাশি ট্রাফিক ও স্থানীয় প্রশাসনও সক্রিয়ভাবে কাজ করবে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনুষ্ঠানকালে সকল পর্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শিথিল নয়, যাতে জনসমাগম শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন হয়।