ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেন। এ সময় তিনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরেও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
জিয়ারত কার্যক্রম সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে শুরু হয়। তারেক রহমান গুলশানের নিজ বাসা থেকে বেলা পৌনে ১১টায় বের হন এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে পৌঁছান। জিয়ারতের সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
কবর জিয়ারতের পর তারেক রহমান জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচন কমিশন অফিসে যাওয়ার কর্মসূচি অনুসরণ করেন। এরপর তার পরিকল্পিত সূচিতে ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দেখতে রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত পঙ্গু হাসপাতালে যাত্রা। তবে হাসপাতালে কোনো আহত ব্যক্তি না থাকার কারণে সেই অংশের কর্মসূচি বাতিল করা হয়।
নিচের টেবিলে তারেক রহমানের আজকের কর্মসূচির সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হলো:
| সময় | কার্যক্রম | স্থান | মন্তব্য |
|---|---|---|---|
| ১০:৪৫-১১:০০ | গুলশান থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাত্রা | গুলশান, ঢাকা | বাসা ত্যাগ |
| ১১:১৫-১১:৪৫ | ওসমান হাদির কবর জিয়ারত | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ | জাতীয় কবি নজরুল কবরও জিয়ারত |
| ১১:৪৫-১২:৩০ | এনআইডি রেজিস্ট্রেশন | নির্বাচন কমিশন অফিস | কাগজপত্র সম্পন্ন |
| পরিকল্পিত | জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দেখা | পঙ্গু হাসপাতাল, শ্যামলী | হাসপাতালে কেউ না থাকায় বাতিল |
এর আগে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন যে, শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত বিএনপির জন্য রাজনৈতিক ঐতিহ্য এবং জনসংযোগের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত। তাছাড়া তারেক রহমানের কর্মসূচি আজ তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সাম্প্রতিক ধারা বজায় রাখার দিকেও ইঙ্গিতপূর্ণ।
আজকের এই কার্যক্রম বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে ঐক্য ও সাংগঠনিক দৃঢ়তার প্রতিফলন হিসেবে দেখা যায়। বিশেষত শহীদ ওসমান হাদির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, দলের ইতিহাস ও স্বাধীনতার লড়াইয়ের স্মৃতিকে জীবন্ত রাখার প্রচেষ্টা হিসেবে মূল্যায়িত হচ্ছে।
