জিৎ গাঙ্গুলির রসিকতা: দেব বিয়ে না করলে বাড়িতে যাব!

বাংলা চলচ্চিত্রের জুটি দেব-জিৎ শুধু বড় পর্দার নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও একে অপরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। এই বন্ধুত্বেরই প্রমাণ দেখালেন জিৎ, যখন দেবের নতুন সিনেমা ‘প্রজাপতি’-র গান প্রকাশের অনুষ্ঠানকে হাস্যরসের মঞ্চে পরিণত করলেন। অনুষ্ঠানে জিৎ ছলছল চোখে, খুনসুটি মিশিয়ে দেবের বিয়ের প্রসঙ্গ টেনে বললেন—“এবার না হলে আমি নিজেই দেবের বাড়িতে হাজির হব!”

সারেগামাপা-র সেটে জিৎ বলেন,

“দেবের জীবনে এখন প্রজাপতি আসুক—এই কামনা করি। কিন্তু ওর বিয়ে না হলে আমার শান্তি নেই। তোমরা সবাই মিলে ওকে বোকা বানিয়ে জিজ্ঞেস করো—বিয়ে কবে?”

প্রশ্নটা মজার মাত্রাই বাড়িয়ে দিলেন জিৎ। তিনি আরও বলেন,

“বিয়ে না করলে দেবের ঠিকানা সবাইকে পাঠিয়ে দেব। সবাই হানা দাও। আমি নিজেও গিয়ে কিছু প্রজাপতি ছেড়ে আসব, যেন দেবের মাথায় বসার সুযোগ পায়!”

জিৎ-এর এই মন্তব্য শুধু হাস্যরসেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং অভিনেতা দেবের প্রতি বন্ধুত্বের আন্তরিকতাকেও ফুটিয়ে তুলেছে। দু’জনের এই ঘনিষ্ঠতা বহুবার প্রমাণিত হয়েছে চলচ্চিত্রের সেটে, যেখানে একে অপরকে সাপোর্ট করা ও খুনসুটি করার ক্ষেত্রে তারা একে অপরের ছায়া।

দেব-জিৎ বন্ধুত্ব সংক্ষেপে

বিষয়বিবরণ
বন্ধুত্বের ধরনব্যক্তিগত ও পেশাদার উভয় ক্ষেত্রেই ঘনিষ্ঠ
সাম্প্রতিক ঘটনা‘প্রজাপতি’ সিনেমার গান প্রকাশ উপলক্ষে জিৎ-এর মজার মন্তব্য
জিৎ-এর বক্তব্য“বিয়ে না হলে আমি নিজেই দেবের বাড়িতে হাজির হব।”
হাস্যরসের উপায়দেবকে বোকা বানিয়ে বিয়ের প্রশ্ন করা, প্রজাপতি ছেড়ে আসার হুমকি
সমর্থন ও আন্তরিকতাদু’জনই একে অপরের পাশে থাকেন, মজার ছলে বন্ধুত্ব দেখান

অনুষ্ঠানটি কেবল গান প্রকাশের জন্যই নয়, দেব-জিৎ বন্ধুত্বের উজ্জ্বল মুহূর্তগুলোও ফুটিয়ে তুলেছিল। দর্শক ও অনুরাগীরা হাসি ও উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে, কারণ জিৎ-এর মন্তব্যে যেমন কৌতুকের ছোঁয়া ছিল, তেমনি বন্ধুত্বের আন্তরিকতার স্পর্শও।

বিশেষ করে, জিৎ-এর এই ধরনের মন্তব্য প্রমাণ করে যে, তাদের বন্ধুত্ব শুধু পর্দার জন্য নয়, বাস্তব জীবনেরও গভীর। এমন বন্ধুত্বই হল বাংলার বিনোদন জগতে বিরল। অনুষ্ঠান শেষে দর্শকরা সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মুহূর্তের নানা ভিডিও শেয়ার করে হাসি আর উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে দেন।

দেখা যাচ্ছে, ‘প্রজাপতি’ সিনেমার গান প্রকাশের অনুষ্ঠান কেবল নতুন সিনেমার গান নয়, বরং বন্ধুত্ব ও মজার ছলে এক অপ্রত্যাশিত মুহূর্ত তৈরি করেছে। জিৎ-দেব জুটির এই রসিকতা এখনও দর্শকদের মনে মধুর স্মৃতি হিসেবে থাকবে।