টাঙ্গাইলে নকল ওষুধ বিক্রির অভিযোগে লাজ ফার্মাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রবিবার বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের আকুর-টাকুরপাড়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।
এই অভিযান মো. শফিকুল ইসলামের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। অভিযানের ফলে প্রতিষ্ঠানটির বিক্রিত ওষুধ নকল প্রমাণিত হয়। সহকারী পরিচালক রুমেল জানান, “নকল ওষুধ সাধারণ মানুষের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে। জনগণের স্বাস্থ্য ও অধিকার রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চালানো হবে।”
আইন অনুযায়ী, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ৪১ ধারা অনুসারে লাজ ফার্মাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানে টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন অফিসের সেনেটারি ইন্সপেক্টর শাহেদা আক্তার, ড্রাগ সুপার জাফর এবং যৌথবাহিনীর অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, লাজ ফার্মা দীর্ঘদিন ধরে নকল ওষুধ বাজারজাত করার অভিযোগের মুখে পড়ে। অভিযানের সময় বিভিন্ন ধরনের ওষুধ পরীক্ষা করা হলে কিছু প্যাকেট নকল বলে শনাক্ত হয়। এই ধরনের ওষুধ ব্যবহারের ফলে রোগীর স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
অভিযানকালে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, “নকল ওষুধ বন্ধ করা হলে মানুষ নিরাপদ ওষুধ ব্যবহারের নিশ্চয়তা পাবে। এছাড়া বাজারে ন্যায়সঙ্গত প্রতিযোগিতা বজায় থাকবে।”
নকল ওষুধ বিরোধী অভিযানের তথ্য সংক্ষেপে নিচের টেবিলে তুলে ধরা হলো—
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| প্রতিষ্ঠান | লাজ ফার্মা |
| অভিযান পরিচালনা | সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল |
| অভিযোগ দাতা | মো. শফিকুল ইসলাম |
| অপরাধ | নকল ওষুধ বিক্রি |
| জরিমানা | ২,০০,০০০ টাকা (৪১ ধারা অনুযায়ী) |
| অভিযানে উপস্থিত | সেনেটারি ইন্সপেক্টর শাহেদা আক্তার, ড্রাগ সুপার জাফর ও অন্যান্য যৌথবাহিনী |
| উদ্দেশ্য | সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নকল ওষুধ নিয়ন্ত্রণ |
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, নকল ওষুধের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং জনসাধারণকে সতর্ক করার জন্য প্রচার-প্রচারণা জোরদার করা হবে। জনগণকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি কোনো ধরনের নকল ওষুধের তথ্য প্রশাসনের কাছে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
