আন্তর্জাতিক বাজারে বৃহস্পতিবারও (২১ সেপ্টেম্বর) তেলের দাম কমেছে। আগের কার্যদিবসে (বুধবার) গত ১ মাসের মধ্যে জ্বালানি পণ্যটির সর্বোচ্চ দরপতন ঘটে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।এতে বলা হয়, সুদের হার বাড়াতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড)। এই প্রত্যাশায় তেলের দর হ্রাস পেয়েছে।
১ মাসের মধ্যে জ্বালানি তেলের দরপতন সর্বোচ্চ
আলোচ্য কর্মদিবসে স্পট মার্কেটে বৈশ্বিক বেঞ্চমার্ক আগামী নভেম্বরের অপরিশোধিত ব্রেন্টের সরবরাহ মূল্য হ্রাস পেয়েছে ৪৪ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। প্রতি ব্যারেলের দাম স্থির হয়েছে ৮৯ ডলার ১৮ সেন্টে। একই দিনে ফিউচার মার্কেটে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক অপরিশোধিত ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দর নিম্নমুখী হয়েছে শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ। ব্যারেলপ্রতি দাম নিষ্পত্তি হয়েছে ৮৯ ডলার ১৭ সেন্ট।

এদিন সুদের হার অপরিবর্তিত রেখেছে ফেড। তবে চলতি বছরের শেষদিকে তা বাড়াতে পারে তারা। এমনটি হলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং জ্বালানি চাহিদা কমবে।
ধারণা করা হচ্ছে, মার্কিন মুলুকে অপরিশোধিত তেলের মজুত কমেছে। ফলে জ্বালানি পণ্যের বাজারে হালকা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।আগামীতে সুদের হার বৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে পারে বিশ্বের অধিকাংশ দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তেমনটি হলে মার্কিন মুদ্রা ডলারের তেজ বাড়ছে। স্বাভাবিকভাবেই চাপে পড়বে জ্বালানি তেলের বিশ্ববাজার।