হুমায়ুন খালিদ । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

হুমায়ুন খালিদ করটিয়া সা’দত কলেজ ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি (১৯৫৩-১৯৫৪) এবং তৎকালীন নূরুল আমিন সরকারের বিরুদ্ধে সংগ্রামী ভূমিকা পালন করেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে তৎকালীন জাতীয় পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন (১৯৭০)।

হুমায়ুন খালিদ । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

হুমায়ুন খালিদ । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে তার অংশগ্রহণ স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে (২৫ মার্চ ১৯৭১)। ৮ মাস এফজে সেক্টর (ভারত) মুক্তিবাহিনীর ম্যোটিভেশনের দায়িত্ব পালন করেন সেই সাথে তিনি ৪ মাস গেরিলা ট্রেনিং নেন এবং ১৬ হাজার মুক্তিবাহিনীর সদস্য শপথ নিয়ে মুক্তিসংগ্রামে আত্মনিয়োগ করতে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে।

প্রখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরোত্তমকে তিনি উন্নতমানের অস্ত্র যোগানের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ সহায়তা করেন এবং টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ’র ভালো ভালো মিলিটান্ট ছেলেদেরকে বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বিরোত্তমের কাছে সরাসরি পাঠিয়ে দিতেন।

স্বাধীনতার পর তিনি দেশ গড়ার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন। বাংলাদেশের শাসনতন্ত্র কমিটির অন্যতম সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন(১৯৭২) এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন (১৯৭৩)। সামরিক অভ্যুত্থানের পর রাজনীতি থেকে অবসর গ্রহণ করেন (১৯৭৫)। ২৯ ডিসেম্বর ২০০২ সালে হুমায়ুন খালিদ মৃত্যুবরণ করেন।

জন্ম

টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার সুবর্ণতলীতে তিনি জন্মগ্রহণ করেন (১ আগস্ট ১৯৩৫)।

 

google news
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

শিক্ষাজীবন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ (১৯৫৯) এবং এলএলবি (১৯৬৭) ডিগ্রি লাভ করেন।

কর্মজীবন

নাগরপুর কলেজ থেকে অধ্যাপনার পর শরীয়তপুর হাজী শরীয়তুল্লাহ কলেজর প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন (১৯৯২)। ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন টাংগাইল-৯ আসন থেকে সংসদ- সদস্য নির্বাচিত হন।

সফলতা

তিনি টাঙ্গাইল জেলার শ্রেষ্ঠ কলেজ শিক্ষক হিসেবে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার প্রাপ্ত হন।

 

হুমায়ুন খালিদ । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

সংসদ- সদস্য

সংসদ- সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ -সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ -সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।

পরিচিতি

সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ -স্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ -সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।

বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ -সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ -সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ- সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

 

হুমায়ুন খালিদ । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

অবস্থান

সংসদ -সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ -সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন।

আরও দেখুনঃ

Leave a Comment