হাঁস দ্বন্দ্বে হামলায় আহত সাতজন

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় হাঁস নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় নারীসহ অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে, তবে গুরুতর আহত একজনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় রবিবার (১৫ মার্চ) মোহনগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রাতেই অভিযান চালিয়ে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) মোহনগঞ্জ থানার ওসি হাফিজুল ইসলাম হারুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ঘটনা ঘটে গত শনিবার (১৪ মার্চ) উপজেলার সুয়াইর ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামে।

হামলায় আহতরা হলেন:

নামবয়সগ্রামঅবস্থা
মজিবুর রহমান৫৫আলীপুরস্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি
তরিকুল ইসলাম৪৫আলীপুরস্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি
আঙ্গুর আলী২৮আলীপুরস্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি
বায়জিদ১৯আলীপুরস্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি
সাহেরা খাতুন৬০আলীপুরস্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি
শাপলা২২আলীপুরস্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি
আরিফুল ইসলাম স্বাধীন৩৬আলীপুরগুরুতর, মমেক হাসপাতালে স্থানান্তর

স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগ অনুযায়ী, শনিবার আলীপুর গ্রামের মাসুদ মিয়া-এর লোকজন রফিকুল ইসলামের বাড়ির সামনে ডোবার পানিতে জোরপূর্বক হাঁস ছেড়ে দেন। এ সময় রফিকুল ইসলামের লোকজন বাঁধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। পরে মাসুদ মিয়ার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রফিকুল ইসলাম ও তার লোকদের উপর অর্তকিত হামলা চালান।

রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের ৮ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলেন:

নামবয়সগ্রাম
মো. মাসুদ৩৮আলীপুর
নেহাতুল্লা৫৫আলীপুর
আমিরুল২০আলীপুর
আলিউল্লাহ৬০আলীপুর
ওলিউল্লাহ৫৫আলীপুর
সোলেমান২৫আলীপুর
সালমান২২আলীপুর
সেজু২৭আলীপুর

মামলার প্রধান আসামি মো. মাসুদ মিয়া-এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি মন্তব্য না করে ফোন বন্ধ করে দেন।

মোহনগঞ্জ থানার ওসি হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, “মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে নেহাতুল্লা নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে।”

এ ঘটনায় স্থানীয়রা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দুটি পরিবারের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ বিষয়টি মনিটর করছে। আহতদের চিকিৎসা এবং মামলার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে, যা নিরাপত্তা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।