হবিগঞ্জ জেলা, ১২ ফেব্রুয়ারি — হবিগঞ্জ-১ আসনে ভোটগ্রহণের বেলা যত বাড়ছে, ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ততই কম। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকেরও কম দেখা গেছে, যা স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া এবং ভোটের প্রতি অনীহাই মূলত ভোটার উপস্থিতি কম থাকার পেছনের প্রধান কারণ। জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতির সংক্ষিপ্ত তথ্য নিচের টেবিলে প্রদর্শন করা হলো:
| ভোটকেন্দ্র | সকাল ৮-১০ টা উপস্থিতি | ১০-১২ টা উপস্থিতি | মোট উপস্থিতি (৮-১২ টা) | লক্ষ্যমাত্রা 대비 শতাংশ |
|---|---|---|---|---|
| কেন্দ্রীয় স্কুল মাঠ | ২৫০ | ২৭০ | ৫২০ | ৪৮% |
| সদর হাসপাতাল কেন্দ্র | ১৮০ | ২০০ | ৩৮০ | ৪২% |
| সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণ | ৩০০ | ৩২০ | ৬২০ | ৫০% |
| পুরাতন বাজার কমিউনিটি হল | ২২০ | ২৪০ | ৪৬০ | ৪৫% |
এক কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, “সকাল থেকেই আমরা ভোটারদের আগ্রহী করতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। তবে বেলা বাড়ার পরও উপস্থিতি তেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে না। আশা করছি বিকেলের দিকে কিছুটা চাপ তৈরি হবে।”
নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষকরা জানিয়েছেন, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত সব প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করা হয়েছে। কমিশন কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত পর্যবেক্ষক ও ভলান্টিয়ার মোতায়েন করেছে এবং ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য সতর্ক রয়েছে।
অপরদিকে, রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতারা ভোটারদের উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য বিভিন্নভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে ভোটারদের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ত আগ্রহ এখনও তেমন দৃশ্যমান হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আরও সক্রিয় প্রচারণা এবং স্থানীয় নেতাদের সরাসরি আহ্বান ভোটারের উপস্থিতি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এছাড়া, স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, ভোটার উপস্থিতি কম থাকলে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণের প্রভাব পড়তে পারে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, দুপুরের পরেও পর্যবেক্ষণ চলবে এবং প্রয়োজনে কেন্দ্রে অতিরিক্ত প্রচারণা ও সচেতনতা কার্যক্রম নেওয়া হবে।
বর্তমানে হবিগঞ্জ-১ আসনে ভোটার উপস্থিতি বৃদ্ধি করা এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করাই প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
