সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় একই রাজনৈতিক দলের দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার কাটাখালী বাজার এলাকায় সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিএনপি নেতা রমিজ উদ্দিন মাস্টার ও পাভেল আহমেদের সমর্থকদের দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিরোধের কারণে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষের অনেকেই আহত হন এবং বিএনপির স্থানীয় একটি কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। তবে ঘটনার জন্য উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করেছে।
রমিজ উদ্দিন মাস্টার অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের দোসররা বিএনপির মধ্যে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে এবং তারা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তিনি নিজেও এই সংঘর্ষে আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, পাভেল আহমেদ দাবি করেছেন, থানার অনুমতি নিয়ে কাটাখালী বাজারের বিএনপি কার্যালয়ে সভা চলাকালে রমিজ উদ্দিন মাস্টারের নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।
বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, “এটি রাজনৈতিক নয়; এটি গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্বের ফল। বাজার সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার জেরে এই ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।” তিনি জানান, এই সংঘর্ষে আনুমানিক ৭–৮ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ ইতোমধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে এবং এলাকায় শান্তি বিরাজ করছে।
নিচের টেবিলে সংঘর্ষের মূল তথ্য ও প্রভাব সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
| বিষয় | বিস্তারিত | প্রভাব / লক্ষ্য |
|---|---|---|
| সংঘর্ষের স্থান ও সময় | কাটাখালী বাজার, বিশ্বম্ভরপুর, ১১ জানুয়ারি, রাত ৮.৩০ মিনিট | স্থানীয় tense রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি |
| মূল পক্ষ | রমিজ উদ্দিন মাস্টার সমর্থক বনাম পাভেল আহমেদ সমর্থক | দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিরোধ |
| আহত সংখ্যা | অন্তত ১৫ জন | চিকিৎসা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার |
| অভিযোগ ও প্রতিক্রিয়া | উভয় পক্ষ একে অপরকে দায়ী | দোষ নির্ধারণে তর্ক ও জনমতের বিভ্রান্তি |
| পুলিশ মন্তব্য | গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব, রাজনৈতিক নয় | পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, শান্তি বজায় |
সংক্ষেপে, সুনামগঞ্জের এই সংঘর্ষ দেখায় স্থানীয় রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ আধিপত্য বিরোধ কখনো কখনো স্থানীয় শান্তি এবং নিরাপত্তাকে সরাসরি প্রভাবিত করতে পারে। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং পুলিশ এলাকায় সতর্ক অবস্থায় দায়িত্ব পালন করছে।
