সাদত আলী সিকদার (মৃত্যু: ১৯ জুন ২০১৭) বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার রাজনীতিবিদ, চিকিৎসক ও মুক্তিযোদ্ধা যিনি তৎকালীন পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য ও তৎকালীন ঢাকা-২৭ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।
Table of Contents
সাদত আলী সিকদার । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

প্রাথমিক জীবন
সাদত- আলী সিকদার নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজারে জন্মগ্রহণ করেন। তার ছেলে জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় যুব সংহতির নির্বাহী সভাপতি আলমগীর সিকদার লোটন।

রাজনৈতিক জীবন
সাদত- আলী সিকদার চিকিৎসক, ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তিনি আড়াইহাজার উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা। পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন ঢাকা-২৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
মৃত্যু
সাদত আলী সিকদার ১৯ জুন ২০১৭ সালে ঢাকার সি এম এইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

সংসদ সদস্য
সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।
পরিচিতি
সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।
বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

অবস্থান
সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন।
কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ সদস্য হন।
আরও দেখুনঃ