সরকার গুজব, মিথ্যা তথ্য (মিসইনফরমেশন) ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য (ডিসইনফরমেশন) প্রতিরোধে একটি হটলাইন চালু করেছে। এটি মূলত জাতীয়, ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে গুজব বা ভুল তথ্য সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণের জন্য কার্যকর হবে।
সোমবার প্রধান উপদেষ্টার অফিসের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এই তথ্য জানানো হয়। হটলাইনের মাধ্যমে নাগরিকরা সহজেই যেকোনো গুজব বা ভুয়া তথ্য সংক্রান্ত অভিযোগ দ্রুত সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থায় পৌঁছে দিতে পারবেন।
সরকারি পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হটলাইনের পাশাপাশি অভিযোগ জানানোর জন্য একটি ই-মেইল ঠিকানাও খোলা হয়েছে। এর মাধ্যমে নাগরিকরা লিখিতভাবে অভিযোগ বা প্রমাণ পাঠাতে পারবেন।
হটলাইন ও ই-মেইল সংক্রান্ত তথ্য নিম্নরূপ:
| মাধ্যম | বিস্তারিত তথ্য |
|---|---|
| হটলাইন নম্বর | ০১৩০৮৩৩২৫৯২ |
| ই-মেইল | notify@ncsa.gov.bd |
| অভিযোগ গ্রহণ বিষয় | গুজব, মিসইনফরমেশন, ডিসইনফরমেশন |
| লক্ষ্য গ্রুপ | জাতীয়, ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায় |
| দায়িত্বশীল সংস্থা | জাতীয় তথ্য ও সাইবার নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ (NCSA) |
সরকারি কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গঠিত হয়েছে কেন্দ্রীয় সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ কমিটি। কমিটিটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রচলিত মিথ্যা তথ্য ও গুজব পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজনে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।
এই পদক্ষেপ মূলত নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল তথ্য পরিবেশকে নিরাপদ রাখার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচনকালীন সময়ে সামাজিক মাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গুজব ছড়ানো সাধারণত রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির সহায়ক হয়। তাই দ্রুত হটলাইন চালু করা জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে।
কমিটি ও হটলাইন একত্রে কাজ করবে যাতে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় জনগণের বিশ্বাস বজায় থাকে এবং ভুয়া তথ্যের মাধ্যমে বিভ্রান্তি সৃষ্টি রোধ করা যায়। সরকারের এই উদ্যোগ নাগরিকরা সহজেই ব্যবহার করতে পারবে এবং যে কোনো মিথ্যা তথ্য দ্রুত চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।
এই নতুন হটলাইন ও কমিটি সরকারের ডিজিটাল নিরাপত্তা নীতির অংশ হিসেবে গণমাধ্যম, সামাজিক প্ল্যাটফর্ম ও নাগরিক সচেতনতার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।
