জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সহধর্মিণী শ্রদ্ধেয় মিসেস দিলারা হাফিজ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, আত্মীয়স্বজন, রাজনৈতিক অঙ্গনসহ শুভানুধ্যায়ীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মৃত্যুকালে তিনি স্বামী হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, এক পুত্র, এক কন্যা, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। পারিবারিকভাবে জানানো হয়েছে, মরহুমার মরদেহ ২০২৬ সালের ২৯ মার্চ সন্ধ্যায় দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। এরপর রাষ্ট্রীয় ও পারিবারিক মর্যাদায় জানাজা ও দাফনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মরহুমার প্রতি সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাজধানীতে দুটি জানাজার আয়োজন করা হয়েছে। প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে। পরে তাঁকে বনানী সামরিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
জানাজার ও দাফনের সময়সূচি
| কর্মসূচি | স্থান | সময় |
|---|---|---|
| মরদেহ দেশে আগমন | হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর | ২৯ মার্চ ২০২৬, সন্ধ্যা |
| প্রথম জানাজা | জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা | ৩০ মার্চ ২০২৬, সকাল ১১টা |
| দ্বিতীয় জানাজা | ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ | ৩০ মার্চ ২০২৬, বাদ জোহর |
| দাফন | বনানী সামরিক কবরস্থান | জানাজা শেষে |
মিসেস দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মহল থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানানো হয়েছে। অনেকেই তাঁর সদালাপী, বিনয়ী ও সমাজসেবামূলক ব্যক্তিত্বের কথা স্মরণ করে বলেন, তিনি ছিলেন একজন পরোপকারী ও সম্মানিত গৃহিণী, যিনি পারিবারিক ও সামাজিক পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
পারিবারিক সূত্রে আরও জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। তবে শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও তাঁকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
তাঁর মৃত্যুতে শুধু একটি পরিবার নয়, একটি শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছে সমাজের বহু মানুষ। শোকাহত পরিবারের প্রতি দেশের বিভিন্ন স্তরের মানুষ আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করেছেন এবং মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।
