শেখ ফজলুল করিম সেলিম (জন্ম: ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৭) বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার রাজনীতিবিদ যিনি গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য। তিনি সাবেক মন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের স্থায়ী কমিটির সদস্য।
Table of Contents
শেখ ফজলুল করিম সেলিম । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

প্রাথমিক জীবন
১৯৪৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম শেখ নুরুল হক। তিনি খুলনার সেন্ট জোসেফ্স উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৬৩ সালে এসএসসি ও ঢাকার টেকনিক্যাল কলেজ থেকে ১৯৬৫ সালে এইচএসসি পাস করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৮ সাথে বিএসসি এবং একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭১ সাথে ডিপ্লোমা ইন স্ট্যাটিসটিক্স ডিগ্রি লাভ করেন।
সেলিম বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে এবং যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শেখ ফজলুল হক মনি এর ছোটভাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার মামাতো বোন।শেখ ফজলে নূর তাপসের কাকা।


রাজনৈতিক জীবন
শেখ ফজলুল করিম সেলিম বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের স্থায়ী কমিটির সদস্য। ১৯৭৯ সালের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন ফরিদপুর-১০ আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
তিনি ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন।[৯] তিনি ৭ম জাতীয় সংসদের মেয়াদকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য।
সংসদ সদস্য
সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।

পরিচিতি
সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।
বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।
আরও দেখুনঃ