শাহীনুর পাশা চৌধুরী একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ যিনি সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য।
Table of Contents
শাহীনুর পাশা চৌধুরী । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

জন্ম ও প্রথমিক জীবন
শাহীনূর পাশা চৌধুরী ১৯৮৫ সালে সিলেটের জামিয়া কাসিমুল উলুম দরগাহে হজরত শাহজালাল (রহ.) থেকে দাওরায়ে হাদিস পাশ করেন এবং মুরারিচাঁদ কলেজে থেকে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রী অর্জন করেন।
কর্মজীবন
শাহীনূর পাশা চৌধুরী সিলেট থেকে প্রকাশিত সাহিত্য সংস্কৃতি বিষয়ক পত্রিকা মাসিক তৌহিদী পরিক্রমা’র সম্পাদক এবং জামিয়া দারুল কুরআন সিলেটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক।
রাজনৈতিক জীবন
শাহীনূর পাশা চৌধুরী ১৯৯১ সালে রাজনৈতিক জীবনের শুরু করেন। তিনি ছিলেন ছাত্র জমিয়তের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক। বর্তমানে তিনি জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি। ২০০৫ সালের সুনামগঞ্জ-৩ আসনের উপনির্বাচনে তিনি চারদলীয় জোট প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

সংসদ সদস্য
সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।
পরিচিতি
সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।
বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

অবস্থান
সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
সাধারণত সংসদ সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ সদস্য হন।
আরও দেখুনঃ