শাহজাদা আবদুল মালেক খান । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

শাহজাদা আবদুল মালেক খান (১৯২৫ – ১ এপ্রিল ২০০৭) একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ছিলেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে তিনি এমএলএ নির্বাচিত হন। ১৯৭৩ সালের বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীপরিষদে শিল্প প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়ীত্ব পালন করেন।

শাহজাদা আবদুল মালেক খান । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

শাহজাদা আবদুল মালেক খান । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

প্রাথমিক জীবন

বরগুনা জেলার বেতাগী থানার কাউনিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম আবি আবদুলাহ খান অবিভক্ত বাংলার পটুয়াখালী মহকুমা থেকে এম. এল. এ নির্বাচিত হন।

কর্মজীবন

১৯৫৪ সনে বরিশাল বি. এম কলেজে অধ্যাপনার মাধ্যমে তার কর্মময় জীবন শুরু হয়। ১৯৬১ সালে বরিশালে আইন ব্যবসা শুরু করেন।

রাজনৈতিক জীবন

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে পাথরঘাটা–বরগুনা আসনে সংসদ- সদস্য নির্বাচিত হন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে অসহযোগ আন্দোলনে বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে বেতাগী, বামনা, পাথরঘাটা ও কাঠালিয়া থানার নেতৃত্ব দেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার পর মুজিব নগরের অস্থায়ী সরকারের অধীনে স্বাধীনতা যুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন পটুয়াখালী-২ আসন থেকে সংসদ -সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৩ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজবুর রহমানের মন্ত্রীপরিষদের শিল্প প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যোগ দেন তিনি।

 

google news
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

 

শিক্ষা জীবন

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম. এ ডিগ্রি অর্জন করেন।

মৃত্যু

১ এপ্রিল ২০০৭ তিনি পরলোক গমন করেন।

সংসদ -সদস্য

সংসদ -সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ- সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ -সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।

পরিচিতি

সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ -সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ -সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।

বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ -সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ -সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ- সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

 

শাহজাদা আবদুল মালেক খান । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

অবস্থান

সংসদ- সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন।

সাধারণত সংসদ -সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ- সদস্য হন।

আরও দেখুনঃ

Leave a Comment