রাজশাহী, ১৯ মার্চ ২০২৬:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শামস সুমনের অকাল প্রয়াণে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। রাবির উপাচার্য প্রফেসর মো. ফরিদুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন এবং উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর মোহা: ফরিদ উদ্দীন খান একযোগে মরহুমের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং শামস সুমনের স্মরণে গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন।
উপাচার্য প্রফেসর মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, “মৃত্যু অমোঘ ও অবশ্যম্ভাবী, তবে শামস সুমনের মতো প্রতিভাবান ব্যক্তিত্বের প্রয়াণ আমাদের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় এবং তাঁর সৃষ্টিকর্ম নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে থাকবে।”
উপ-উপাচার্য প্রফেসর মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন ও প্রফেসর মোহা: ফরিদ উদ্দীন খান বলেন, “বাংলাদেশের চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে শামস সুমনের অবদান বিশেষভাবে স্মরণীয়। তাঁর নিঃশর্ত পরিশ্রম ও প্রতিভা আমাদের সকলের জন্য গর্বের বিষয়।”
শামস সুমনের জীবন ও কর্মসংক্ষেপ নিম্নরূপ:
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| শিক্ষাজীবন | রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, মার্কেটিং বিভাগ (স্নাতক ও স্নাতকোত্তর) |
| চলচ্চিত্র পুরস্কার | জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (শ্রেষ্ঠ অভিনেতা) |
| পেশাগত পরিচয় | অভিনেতা, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, অনুষ্ঠান উপস্থাপক ও প্রযোজক |
| উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র | ‘স্বপ্নের পথ’, ‘চলচ্চিত্রের গল্প’, ‘সংস্কৃতি ছোঁয়া’ |
| সাংস্কৃতিক অবদান | দেশের চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যমে নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের উদ্বুদ্ধকরণ এবং সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধি প্রচারণা |
শামস সুমন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যম জগতে একজন প্রতিভাবান ও প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি টেলিভিশন ও গণমাধ্যমে নতুন ধারার অনুষ্ঠান উপস্থাপন ও প্রযোজনা করেছেন। তার কাজের মাধ্যমে দেশের সাংস্কৃতিক ও শিল্পমাধ্যমের মান বৃদ্ধি পায়।
রাবি প্রশাসন জানিয়েছে, শোক প্রকাশের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য শামস সুমনের অবদান তুলে ধরতে স্মরণসভা, রচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তার শিল্প ও সাংস্কৃতিক জীবনের গুরুত্ব সম্পর্কে অবহিত হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস পাবেন।
শামস সুমনের মৃত্যু বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতি ও গণমাধ্যমের জন্য এক শূন্যতার সৃষ্টি করেছে। তার সৃষ্টিশীলতা, প্রতিভা এবং নিষ্ঠা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
প্রশাসক
জনসংযোগ দপ্তর
