রমজান মাসে মেট্রোরেল সময়সূচি পরিবর্তন

পবিত্র রমজান মাসে যাত্রীদের সুবিধা এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমআরটিসিএল) সোমবার বিশেষ মেট্রোরেল সময়সূচি ঘোষণা করেছে। অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রমজান মাসের অফিস সময় ও জনজীবনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ট্রেন চলাচলের সময় পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে মতিঝিল অভিমুখে প্রথম ট্রেন সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে ছাড়বে এবং শেষ ট্রেন রাত ৯টা ৩০ মিনিটে চলবে। উল্টো পথে, মতিঝিল থেকে উত্তরা উত্তরগামী প্রথম ট্রেন ছাড়বে সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে এবং শেষ ট্রেন রাত ১০টা ১০ মিনিটে।

মেট্রোরেলের হেডওয়ে বা ট্রেনের মধ্যে ব্যবধানও রমজান মাসে সমন্বয় করা হয়েছে। সকালের ব্যস্ত সময় এবং বিকেলের পিক সময়ের জন্য হেডওয়ে ৫ মিনিট ৩০ সেকেন্ড থেকে ৮ মিনিটের মধ্যে থাকবে। অন্য সময়ের জন্য হেডওয়ে সর্বোচ্চ ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর্যন্ত হতে পারে, যাতে যাত্রীদের ভিড় কমানো এবং সুবিধাজনক যাতায়াত নিশ্চিত করা যায়।

রমজান মাসে যাত্রী সুবিধার জন্য স্টেশন এলাকায় এবং ট্রেনে পানীয় জল বহন করা অনুমোদিত হয়েছে। ইফতার সামগ্রী বহনের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, স্টেশন ও ট্রেনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার জন্য যাত্রীদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবারসহ সকল সরকারি ছুটির দিনেও এই সময়সূচি কার্যকর থাকবে। এটি বিশেষভাবে কর্মজীবী, শিক্ষার্থী ও অন্যান্য দৈনন্দিন যাত্রীদের যাতায়াত সহজ ও নিরাপদ করবে। ডিএমআরটিসিএল জানিয়েছে, রমজান মাসের এই পরিবর্তিত সময়সূচি অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য জনজীবনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পরিকল্পিত। এছাড়াও, স্টেশন ও ট্রেনে পর্যাপ্ত কর্মী মোতায়েন থাকবে যাতে যাত্রীদের সেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

নীচের টেবিলে রমজান মাসের মেট্রোরেল সময়সূচি সংক্ষেপে দেওয়া হলো:

গন্তব্য/স্টেশনপ্রথম ট্রেন ছাড়ার সময়শেষ ট্রেন ছাড়ার সময়হেডওয়ে (ব্যস্ত সময়)হেডওয়ে (স্বাভাবিক সময়)
উত্তরা উত্তর → মতিঝিল৬:৩০ AM৯:৩০ PM৫:৩০–৮ মিনিট১৫–২০ মিনিট
মতিঝিল → উত্তরা উত্তর৭:১৫ AM১০:১০ PM৫:৩০–৮ মিনিট১৫–২০ মিনিট

এই নতুন সময়সূচি কার্যকর হওয়ায় যাত্রীদের জন্য রমজান মাসে যাতায়াত আরও সহজ, সুরক্ষিত এবং নিরবচ্ছিন্ন হবে। ডিএমআরটিসিএল আশা করছে, যাত্রীদের সচেতনতা ও সমন্বয় থাকলে মেট্রোরেল যাত্রা আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।