মোহাম্মদ হাছান ইমাম খাঁন টাংগাইল জেলার কালিহাতি উপজেলায় জন্মগ্রহণকারী বাংলাদেশের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকা ১৩৩ টাংগাইল-৪ এর নির্বাচিত সংসদ সদস্য। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে হজ্ব ও তাবলীগ জামায়াত নিয়ে আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী কটূক্তি করায় তাকে মন্ত্রীর দ্বায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং একই আসন থেকে উপ নির্বাচনে জনাব মোহাম্মদ হাছান ইমাম খাঁন নির্বাচিত হন।
Table of Contents
মোহাম্মদ হাছান ইমাম খাঁন । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

ইতিহাস
তিনি গোপালদিঘী উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন (১৯৮৫), এবং সেখান থেকে ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন (১৯৮৬)। এরপর সরকারী এম. এম. আলী কলেজ (কাগমারী কলেজ) ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন (১৯৯১), এবং সেখান থেকে স্বাধীনতা পরবর্তী ছাত্রলীগের প্রথম ভি,পি নির্বাচিত হন (১৯৯২)।
তিনি এবং তার বড় ভাই সাহেদ হাজারী সন্ত্রাসী দের হামলায় নিহত হন সাহেদ হাজারী (১৯৯৪)। তিনি সরকারী সাদাত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ’র ছাত্র সংসদের ভি,পি নির্বাচিত হন (১৯৯৬)। জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক নির্বাচিত হন (১৯৯৮)। এরপর তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত হন (২০০১)।
ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন (২০০২)। বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন (২০০৬), এবং তিনি কালিহাতী উপজেলা চেয়ারম্যান মনোনীত হন (২০০৯)। তিনি তার নিজ এলাকায় শহীদ শাহেদ হাজারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও শহীদ শাহেদ হাজারী মহাবিদ্যালয় স্থাপন করেন।

জন্ম
তিনি ১ জানুয়ারী ১৯৭৩ সালে কালিহাতি উপজেলা’র ছাতিহাটী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
শিক্ষাজীবন
ছাতিহাটী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষাজীবন শুরু করেন এবং গোপালদিঘী কে,পি, ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস এস সি পাস করেন। সরকারী সাদাত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন (১৯৯৬)।

কর্মজীবন
সমাজ সেবায় বিশেষ ভূমিকা ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের জন্য দেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে মাদার তেরেসা স্বর্ণপদক, মহানগর পার্সোনালিটি এ্যাওয়ার্ড, মহাত্মা গান্ধী শান্তি পদক ও চিত্তরঞ্জন দাশ পদক অর্জণ করেন (২০১৩)।
আরও দেখুনঃ