ওই যাত্রী আরও বলেন, তাঁরা আগারগাঁও নেমে দেখেন, একই প্ল্যাটফর্মে উত্তরাগামী ট্রেনের অপেক্ষায় আছেন যাত্রীরা। অপেক্ষমাণ যাত্রীদের থেকে জেনেছেন, উত্তরাগামী লাইনটি বন্ধ থাকায় তাঁদের এখান থেকে ট্রেনে ওঠার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকার মেট্রোরেল পুরোপুরি বিদ্যুৎ-চালিত। ঝুলন্ত তারের সঙ্গে ট্রেনের সংযোগের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পরিবহন হয়। এ ব্যবস্থায় ফানুস, ঘুড়ি, কাপড় কিংবা এ-জাতীয় বস্তু আটকে গেলে বিদ্যুৎ পরিবহন বাধাগ্রস্ত হয়, যা থেকে মেট্রোরেল চলাচলে বিঘ্ন ঘটে, বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন সিদ্দিক জানান, মিরপুর-১০ থেকে শেওড়াপাড়া অংশে প্রায়ই ঘুড়ি ওড়ানো হয়। অনেক সময় ঘুড়ি বা ঘুড়ির সুতা মেট্রোরেলের তারে জড়িয়ে যায়। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। তাই ঘুড়ি না ওড়াতে অনুরোধ জানিয়ে মাইকিংও করা হয়েছে। ওয়েবসাইটসহ বিভিন্নভাবে প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্টরা বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারছে না। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়া ডিএমটিসিএলের অন্য কোনো উপায় থাকবে না। কারণ, মূল্যবান এ সম্পদের ক্ষতি হলে তো দেশেরই ক্ষতি।
আরও দেখুনঃ

