কবর থেকে নারীদের মৃতদেহ তুলে ধর্ষণ, দেহ বাঁচাতে লোহা দিয়ে ঘেরা হচ্ছে কবর। কবর থেকে নারীদের দেহ তুলে ধর্ষণ করা হচ্ছে। তাই সন্তানদের মৃতদেহকে ধর্ষকদের হাত থেকে বাঁচাতে কবরের চারপাশে লোহার খাঁচা তৈরি করা হচ্ছে। কারণ পাকিস্তানে মৃতদেহ ধর্ষণের ঘটনা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১১ সাল থেকে এই ধরনের ঘটনা চলছে। ওই বছরেই প্রথম প্রকাশ্যে আসে মৃতদেহ ধর্ষণের ঘটনা। করাচিতে এক করবস্থানের নিরাপত্তারক্ষী কবর থেকে মহিলা, কিশোরী, তরুণীদের দেহ তুলে ধর্ষণ করতেন। সেই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর মহম্মদ রিজওয়ান নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কবর থেকে নারীদের মৃতদেহ তুলে ধর্ষণ
পরবর্তীতে সে পুলিশকে জানায়, কবর থেকে ৪৮ জন মহিলার দেহ তুলে ধর্ষণ করেছেন তিনি।গত বছরের মে মাসে পাকিস্তানের গুজরাটে চক কমলা গ্রামে এক কিশোরীকে কবর থেকে তুলে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে কয়েক জন অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। ঘটনাচক্রে যে দিন কিশোরীকে কবর দেওয়া হয়েছিল, সে দিন রাতেই সেই মরদেহ তুলে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।

এই ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ২০২১ সালে মৌলভি আশরফ চান্দিয়ো গ্রামে কবর থেকে তুলে এক কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়। অভিযোগ ওঠে গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের ছেলের বিরুদ্ধে।
২০১১ সালের পর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এমন ঘটনাই ঘটে চলেছে। সম্প্রতি এই ঘটনার সংখ্যা আরও বেড়েছে। তাই ধর্ষকদের হাত থেকে মেয়েদের বাঁচাতে কবর খাঁচা দিয়ে ঘিরছেন বাবা-মায়েরা।
