মহান বিজয়ের মাসের প্রথম দিনে, রাজধানী ঢাকায় আলোর মিছিল ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই বিশেষ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ও যুব ইউনিয়ন।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি থেকে শুরু হয়ে শিখা চিরন্তন পর্যন্ত একটি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলের মধ্য দিয়ে শহরের প্রধান সড়কগুলো আলোকিত হয়ে ওঠে। অংশগ্রহণকারীরা মুক্তিযুদ্ধকালীন গান পরিবেশন করেন এবং বিভিন্ন শ্লোগান ও ব্যানার হাতে জাতীয় অহংকার ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রদর্শন করেন।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, দীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধ ও লাখো শহিদের আত্মত্যাগের ফলে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম ঘটে। তবে স্বাধীনতার ইতিহাসকে বিকৃত করার চেষ্টা এখনও কিছু জায়গায় চলমান রয়েছে। বক্তারা দেশের মানুষকে একত্রিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে রক্ষা করতে আহ্বান জানান।
মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা জানান, এটি শুধু একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, বরং স্বাধীনতা ও জাতীয় ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের এক অনন্য রূপ। তারা আরও বলেন, বর্তমান প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানানো এবং তা সংরক্ষণ করা সময়ের দাবি।
আলোর মিছিল ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন অনুষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত তথ্য
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| অনুষ্ঠান | আলোর মিছিল ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন |
| আয়োজনকারী | বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, যুব ইউনিয়ন |
| তারিখ ও সময় | ১ ডিসেম্বর ২০২৫, সন্ধ্যা |
| মিছিলের স্থান | শিল্পকলা একাডেমি থেকে শিখা চিরন্তন |
| অংশগ্রহণকারীদের কার্যক্রম | মুক্তিযুদ্ধকালীন গান পরিবেশন, শ্লোগান ও ব্যানার প্রদর্শন |
| উদ্দেশ্য | মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষা, শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা, স্বাধীনতার ইতিহাস সমুন্নত রাখা |
| প্রতীকী কর্মসূচি | প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও আলোর মিছিলের মাধ্যমে স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা |
বক্তারা আরও জানান, মিছিল ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে জাতীয় ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছানো হয়। অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের উদ্যোগ দেশের মানুষকে একত্রিত রাখবে এবং স্বাধীনতার প্রতি আত্মমর্যাদা বৃদ্ধি করবে।
