মার্চে প্রীতি ম্যাচ, সিলেটে খেলতে চাইছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচের আগে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলানোর পরিকল্পনা করছে। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের শেষ ম্যাচটি ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে এবং খেলতে হবে সিঙ্গাপুরে। বাফুফে এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দলকে প্রস্তুত রাখতে কম্বোডিয়া বা পূর্ব তিমুরের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ম্যাচ আয়োজনের উদ্যোগ নিচ্ছে। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হতে পারে হামজা চৌধুরীর জেলা সিলেটে।

শনিবার জাতীয় দল কমিটির বৈঠকে জাতীয় দলের প্রীতি ম্যাচ ও ক্যাম্প শুরুর বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সভা শেষে মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু জানান, “২০ মার্চ জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরু হবে। আমাদের সঙ্গে কয়েকটি দলের সঙ্গে আলোচনা চলছে। হোম ম্যাচ আয়োজনের সম্ভাবনা রয়েছে, সেই ক্ষেত্রে ম্যাচটি সিলেটে অনুষ্ঠিত হতে পারে।”

বাফুফে সূত্রে জানা গেছে, প্রীতি ম্যাচের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হিসেবে কম্বোডিয়া ও পূর্ব তিমুরের সঙ্গে আলোচনা চলছে। ভিয়েতনামের সঙ্গে আলোচনা হলেও তারা বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলার ক্ষেত্রে তেমন আগ্রহী নয়, কারণ তারা র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে রয়েছে। পূর্ব তিমুর সব ধরনের পরিস্থিতিতে—হোম বা অ্যাওয়ে—বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলার জন্য প্রস্তুত। অন্যদিকে, কম্বোডিয়া মূলত তাদের মাঠে খেলার প্রতি বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে। বাফুফে কয়েক দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়গুলো নিশ্চিত করবে।

সাধারণত প্রীতি ম্যাচ জাতীয় দলের জন্য টেকনিক্যাল এবং কৌশলগত প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। এটি খেলোয়াড়দের ফর্ম চেক এবং কৌশল পরীক্ষা করার সুযোগ দেয়। এই প্রীতি ম্যাচের মাধ্যমে দল কোচ হামজা চৌধুরী বিভিন্ন রণনীতি প্রয়োগ করে দেখবেন এবং দলের চূড়ান্ত একাদশের জন্য প্রস্তুতি নেবেন।

একই সঙ্গে বৈঠকে ২০২৬ সালের জুন উইন্ডোতে মালদ্বীপের চার-জাতির টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে শনিবারের বৈঠকে এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

প্রতি ম্যাচের সম্ভাব্য পরিকল্পনা ও তারিখ:

বিষয়তথ্য
প্রীতি ম্যাচ সম্ভাব্য তারিখমার্চের ২০–২৭ তারিখের মধ্যে
জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরুর তারিখ২০ মার্চ
প্রীতি ম্যাচের সম্ভাব্য স্থানসিলেট, হামজা চৌধুরী স্টেডিয়াম
সম্ভাব্য প্রতিপক্ষকম্বোডিয়া, পূর্ব তিমুর, (ভিয়েতনাম অগ্রহী)
আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের তারিখকয়েক দিনের মধ্যে বাফুফে ঘোষণা করবে
জুন উইন্ডো টুর্নামেন্টমালদ্বীপ, চার-জাতির টুর্নামেন্ট (সিদ্ধান্ত শীঘ্রই)

এভাবে প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয় দল তার কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পন্ন করবে, যা সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের শেষ ম্যাচের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।