চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে শুক্রবার সকালে ঘটে গেল এক হৃদয়বিদারক ঘটনা, যেখানে মাত্র ২০ বছরের মোহাম্মদ রোমান মাছ কেনার জন্য বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোমান ভোরে ফজরের নামাজ আদায় করার পর, স্থানীয় মাছের বাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। কিন্তু তার অপেক্ষা করছিল একটি ভীতিকর দুর্ঘটনা।
ভাটিয়ালপুর চৌরাস্তার কাছে, চাঁদপুর-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে কাভার্ড ভ্যান তাকে চাপা দেয়। আহত অবস্থায় রোমানের সঙ্গে থাকা বাপ্পি (১৮) ও সোহাগ (১৭) নামের দুই বন্ধু গুরুতর আহত হন। তারা বর্তমানে চাঁদপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
নিহত রোমান স্থানীয় চরকুমিরা গ্রামের জসিম জমাদারের ছেলে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তারা জানিয়েছেন, রোমান সদা হাসিমুখী এবং এলাকায় সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতেন। স্থানীয়রা বলেন, “যুবকের এভাবে মৃত্যু সত্যিই অপ্রত্যাশিত এবং গভীর দুঃখের বিষয়।”
দুর্ঘটনার পর উপস্থিত জনতা ক্রুদ্ধ হয়ে কাভার্ড ভ্যানটি আটক করেন। পরে ফরিদগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গাড়িটি জব্দ করে। পুলিশ চালক ইমরান (২৬) ও সহকারী মো. ইকরাম (২৩)-কে গ্রেফতার করেছে। ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং গাড়ির চালকসহ দুই জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এটি একাধিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। Firstly, দুর্ঘটনার সঙ্গে রাস্তার অব্যবস্থাপনা ও যানবাহনের অতিরিক্ত দ্রুতগতির সমস্যা প্রকটভাবে দেখা দিয়েছে। Secondly, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া দ্রুত হলেও দুর্ঘটনার ঘটনা হ্রাসের জন্য নিয়মিত সচেতনতা প্রচার এবং সড়ক নিরাপত্তা কড়াকড়ি আরও জরুরি। Lastly, এই ধরনের মর্মান্তিক ঘটনায় পরিবারের সামাজিক ও মানসিক ক্ষতি অনুপম, যা দীর্ঘকাল ধরে প্রভাব ফেলতে পারে।