বীমা খাতের অডিটে সাত সিএমএ ফার্মের অনুমোদন দিল আইডিআরএ

দেশের জীবন ও সাধারণ বীমা কোম্পানিগুলোর ব্যয় নিরীক্ষা এবং কর্মদক্ষতা নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নতুন করে সাতটি ব্যয় ও ব্যবস্থাপনা হিসাববিদ ফার্মকে তালিকাভুক্ত করেছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ।

নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির প্রশাসন অনুবিভাগ থেকে জারিকৃত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়। ওই আদেশে জানানো হয়, এখন থেকে নির্ধারিত এই সাতটি ফার্ম বীমা খাতের নিরীক্ষা কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে।

এ বিষয়ে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের প্রশাসন বিভাগের পরিচালক বিশ্বজিত কুমার পাল স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তালিকাভুক্ত ফার্মগুলো দেশের জীবন বীমা ও সাধারণ বীমা কোম্পানিগুলোর ব্যয় নিরীক্ষা এবং কর্মদক্ষতা নিরীক্ষা পরিচালনা করবে নির্ধারিত নিয়ম ও কাঠামোর মধ্যে।

ব্যয় নিরীক্ষা বলতে কোনো প্রতিষ্ঠানের ব্যয় সংক্রান্ত হিসাব, নথিপত্র এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেন নিয়মতান্ত্রিকভাবে যাচাই করার প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যয়ের সঠিকতা নিশ্চিত করা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা।

অন্যদিকে কর্মদক্ষতা নিরীক্ষা হলো কোনো প্রতিষ্ঠান, কর্মসূচি বা কার্যক্রম কতটা দক্ষতা, কার্যকারিতা এবং সাশ্রয়ীভাবে পরিচালিত হচ্ছে তা নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়নের একটি প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক পরিচালন সক্ষমতা পর্যালোচনা করা হয়।

বীমা খাতে এই দুই ধরনের নিরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ এর মাধ্যমে আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় থাকে এবং কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম নির্ধারিত নীতিমালার মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে কি না তা যাচাই করা সম্ভব হয়।

নতুন তালিকাভুক্ত সাতটি ব্যয় ও ব্যবস্থাপনা হিসাববিদ ফার্মের নাম নিম্নরূপ—

ক্রমিকফার্মের নাম
এ হান্নান ও কোম্পানি
হোসেন ও কোম্পানি
মুজিবুর রহমান ও কোম্পানি
পোদ্দার ও সহযোগী
সেফ-কিউ সহযোগী ও কোম্পানি
সাইফুর এনায়েত ও সহযোগী
স্যাম ও সহযোগী

এই তালিকার মাধ্যমে বীমা খাতের নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট ও অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান চূড়ান্ত করা হলো। এখন থেকে তালিকাভুক্ত ফার্মগুলোই নির্ধারিত বিধিবিধান অনুসারে জীবন ও সাধারণ বীমা কোম্পানিগুলোর ব্যয় নিরীক্ষা এবং কর্মদক্ষতা নিরীক্ষা সম্পাদন করবে।

এর ফলে বীমা খাতে হিসাব ব্যবস্থাপনায় নির্দিষ্ট কাঠামো আরও সুসংহত হবে এবং নিরীক্ষা কার্যক্রম একটি সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়ার অধীনে পরিচালিত হবে বলে প্রশাসনিক আদেশে উল্লেখ করা হয়।