বিশ্ববাজারে পড়তির দিকে চিনির দাম

বিশ্ববাজারে পড়তির দিকে চিনির দাম। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) বলছে, গত মাসে খাদ্যপণ্যটির দর কমেছে প্রায় ৪ শতাংশ। চলতি মাসেও যা অব্যাহত আছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব নেই দেশের বাজারে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারিতে ৩ থেকে ৪ টাকা কমলেও খুচরায় কমেনি।

চিনি! আখ ও বিট থেকে উৎপাদিত সুমিষ্ট এই খাদ্য মানবদেহের তাৎক্ষণিক শক্তির উৎস। কেননা এতে আছে শক্তি, শর্করা, খাদ্য আঁশ, ভিটামিনসহ নানা খনিজ উপাদান।তাই এই খাদ্যের রয়েছে বহুবিধ ব্যবহার। ডেজার্ট থেকে শুরু করে পাউরুটি, চা, কফিসহ সব পানীয়তেই মিষ্টতার জন্য চিনি চাই। এছাড়া রূপচর্চা ও বাণিজ্যিক ফুলের সতেজতাও নেই এর বিকল্প।

 

বিশ্ববাজারে পড়তির দিকে চিনির দাম

বিশ্ববাজারে পড়তির দিকে চিনির দাম

বৈরি আবহাওয়া, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সারা বছরই চিনির আন্তর্জাতিক বাজার অস্থির। ২ মাস আগে এই পণ্যটির প্রতি পাউন্ডের দাম ঠেকে ২৪ সেন্টে। গত ১১ বছরে যা সর্বোচ্চ।তবে আশার কথা শোনাচ্ছে, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও। সংস্থাটির সর্বশেষ প্রতিবেদন বলছে, ব্রাজিল ও ভারতে আবারও বেড়েছে চিনির উৎপাদন। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চাহিদা কমেছে ইন্দোনেশিয়া ও চীনের।

এমন প্রেক্ষাপটে পাল্টে গেছে বিশ্ববাজারের দৃশ্যপট। ৪ শতাংশ কমেছে চিনির দাম। ট্রেডিং ইকোনোমিকস বলছে, প্রতি পাউন্ড অপরিশোধিত চিনি বিক্রি হচ্ছে ২৩ দশমিক ২৫ সেন্টে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ২৫ টাকা ৮০ পয়সা।ইন্টারন্যাশনাল সুগার অর্গানাইজেশন বলছে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে চিনির দরপতনে তৈরি হবে নতুন রেকর্ড।

 

বিশ্ববাজারে পড়তির দিকে চিনির দাম

 

এদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমার প্রভাবে দেশের বাজারে নেই বললেই চলে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারিতে ৩ থেকে ৪ টাকা কমলেও খুচরায় কোনো প্রভাব নেই। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারতে দরপতনে দাম কমাতে বাধ্য হয়েছেন আমদানিকারকরা।

Leave a Comment