রাজস্থান রাজ্যের আজমের ও পুষ্কর এলাকায় রাজনৈতিক বার্তাসংবলিত স্টিকার লাগানোর অভিযোগে দুই ব্রিটিশ নাগরিককে অবিলম্বে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘটনা ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঘটেছে। গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (আইবি) বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুতর হিসেবে মূল্যায়ন করে জেলা পুলিশকে সতর্ক করে এবং অভিযুক্তদের শনাক্ত ও জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশ দেয়।
অভিযুক্তরা হলেন লুইস গ্যাব্রিয়েল ডি. এবং তার বান্ধবী অনুশি এমা ক্রিস্টিন। তারা পর্যটক ভিসায় ভারতে এসেছিলেন এবং পুষ্করে অবস্থান করছিলেন। স্থানীয় সূত্র এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ তাদের শনাক্ত করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজেশ মীনারের নেতৃত্বে একটি পুলিশ দল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ পরিচালনা করে।
জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করে তারা রাজনৈতিক ও আদর্শিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। এই কারণে জেলা পুলিশের সহায়তায় স্টিকারগুলো সরানো হয়। ইমিগ্রেশন ও ফরেনার্স অ্যাক্ট অনুযায়ী তাদের ভিসা বাতিল করা হয় এবং ‘লিভ ইন্ডিয়া নোটিস’ জারি করা হয়। এতে তারা অবিলম্বে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ধরনের ঘটনায় বিদেশি নাগরিকদের আটক করা হতে পারে এবং ভবিষ্যতে ভারতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বা ব্ল্যাকলিস্টের ঝুঁকিও থাকে।
ভারত সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে পর্যটক ভিসায় ভারতে অবস্থানকালে কোনো রাজনৈতিক, প্রতিবাদমূলক বা আদর্শিক কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থা দেশব্যাপী সতর্কতা জারি করেছে।
সিসিটিভি ফুটেজ ও পুলিশের তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচের টেবিলে উপস্থাপন করা হলো:
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| অভিযুক্ত | লুইস গ্যাব্রিয়েল ডি., অনুশি এমা ক্রিস্টিন |
| ভিসার ধরন | পর্যটক ভিসা |
| ঘটনার স্থান | আজমের ও পুষ্কর, রাজস্থান |
| অভিযোগ | ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ স্টিকার লাগানো |
| তারিখ | ২১ জানুয়ারি ২০২৬ |
| পুলিশের পদক্ষেপ | জিজ্ঞাসাবাদ, স্টিকার অপসারণ, ভিসা বাতিল |
| আইনগত ব্যবস্থা | লিভ ইন্ডিয়া নোটিস, দেশ ছাড়ার নির্দেশ |
এদিকে, ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত রেউভেন আজার জানিয়েছেন যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে ইসরাইল সফরে যেতে পারেন। এই সফর পশ্চিম এশিয়ার জটিল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সফরের ফলে প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে ভারত-ইসরাইল কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার হবে।
এই ঘটনা বিদেশি নাগরিকদের ভারতে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার দিকে আলোকপাত করছে, যেখানে ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রমাণ মিলেছে।
