বিক্ষোভে বন্ধ হওয়া খনিতে রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চালু করতে যাচ্ছে পানামা সরকার

পানামার সরকার জানিয়েছে, পরিবেশগত আন্দোলন ও বিক্ষোভের কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি বড় খনিতে রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শুরু করতে যাচ্ছে তারা। তবে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, এই উদ্যোগ খনিটি পুনরায় চালুর উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়নি।

শুক্রবার পানামা সিটি থেকে এএফপি জানায়, পরিবেশগত ক্ষতি নিয়ে দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা প্রতিবাদের মুখে মধ্য আমেরিকার সবচেয়ে বড় কানাডীয় মালিকানাধীন কোব্রে পানামা তামার খনি ২০২৩ সালে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

দেশটির বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী জুলিও মোল্টো এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, খনিতে জমে থাকা উপকরণ থেকে পরিবেশগত বিপর্যয় ঠেকানোর জন্য কানাডার ফার্স্ট কোয়ান্টাম মিনারেলস-এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করবে। তিনি বলেন, ‘এই সিদ্ধান্তের অর্থ খনিটি আবার চালু করা নয়।’

এদিকে, ফার্স্ট কোয়ান্টাম মিনারেলস জানিয়েছে, খনি বন্ধ হওয়ার পর সেখানে থাকা ১ লাখ ২১ হাজার ঘন টন তামা রপ্তানির জন্য তারা অর্থায়ন করবে।

পানামার প্রেসিডেন্ট হোসে রাউল মুলিনো গত মাসে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, সরকার খনিটি চালুর ব্যাপারে কাজ করছে। তবে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে চুক্তি অসাংবিধানিক ঘোষণার পর এ নিয়ে কীভাবে আইনি জটিলতা মোকাবিলা করা হবে, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানাননি তিনি।

এদিকে পরিবেশবাদী রাইসা ব্যানফিল্ড এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বলেন, ‘কানাডিয়ান কোম্পানি এভাবে খনিটি পরিচালনা করতে পারে না।’