ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির বংশাল থানা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াকুব সরকারকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করার অভিযোগে সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) এই বহিষ্কারাদেশ অনুমোদন করেছেন মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু এবং সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন।
বিএনপি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক (দপ্তরের দায়িত্বে) সাইদুর রহমান মিন্টু স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বহিষ্কৃত নেতা ইয়াকুব সরকারকে শুধু প্রাথমিক সদস্য নয়, দলের সকল পর্যায়ের পদ থেকে অবিলম্বে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, বহিষ্কারের মূল কারণ হিসেবে মূলত দুটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে:
দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করা
সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গ করা
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং দলীয় সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদেরকে এর বিষয়ে সচেতন থাকার পাশাপাশি সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নিচের টেবিলে বহিষ্কৃত নেতার সম্পর্কিত মূল তথ্য সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো:
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| নাম | ইয়াকুব সরকার |
| পদ | যুগ্ম আহ্বায়ক, বংশাল থানা শাখা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ |
| বহিষ্কারের কারণ | দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য, সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গ |
| বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত দেন | রফিকুল আলম মজনু (আহ্বায়ক), তানভীর আহমেদ রবিন (সদস্য সচিব) |
| কার্যকর হওয়ার তারিখ | ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ |
| প্রভাব | দলের সকল পর্যায়ের পদ থেকে অব্যাহতি |
বিএনপির অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং স্থানীয় নেতাদের মধ্যে দায়িত্বশীলতার মনোভাব সৃষ্টির জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নেতাকর্মীদেরকে নিরবচ্ছিন্নভাবে দলীয় নীতি মেনে চলার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি বর্তমানে সাংগঠনিক পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে শৃঙ্খলা রক্ষা, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন ও স্থানীয় কমিটিগুলোর কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। ইয়াকুব সরকারের বহিষ্কার এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ধরা হচ্ছে।
বাহ্যিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, স্থানীয় শাখার এমন শৃঙ্খলাভঙ্গকে কঠোরভাবে সমাধান করা দলের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও ঐক্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
