বাড়ছে না সংসদীয় আসন সংখ্যা । সংসদীয় আসনের সীমানা পুনঃনির্ধানের শুনানি শেষ করে এমন ঈঙ্গিত দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন। এছাড়া অর্ধশতাধিক স্থানীয় নির্বাচন জুলাইয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। রোববার (১৪ মে) ১৮তম কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন সচিব জাহাংগীর আলম।
পার্বত্য চট্টগ্রামে সংসদীয় আসন সংখ্যা বাড়ার দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, এটা কমিশন সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে বাস্তবতা হচ্ছে আমাদের আসন সংখ্যা ৩শ’টি। এর বেশি আসন বানানোর সক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের নেই। এটা যখন চূড়ান্ত হবে তখন বলা যাবে বাড়বে না কমবে।
বাড়ছে না সংসদীয় আসন সংখ্যা
জাহাংগীর আলম বলেন, সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্র্নিধাণের শুনানি আজকে শেষ হলো। কমিশন আবার বসে পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেবে। জুন মাসটা আমাদের হাতে আছে। জুনের মধ্যে এটা আমরা শেষ করবো।

তিনি বলেন, মধ্য জুলাইয়ের মধ্যে বেশ কিছু নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী সপ্তাহের মধ্যে তফসিল দেওয়া হবে। তবে একেকটির একেক সময় নির্বাচন হবে। এর মধ্যে পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন রয়েছে।
পৌরসভা আছে সাতটি, ইউপি অনেকগুলো; যার কারণে তফসিল ঘোষণার আগে বলা যাবে না কতগুলো। তবে পঞ্চাশোর্ধ্ব হবে। ঈদুল আজহা ও এইচএসসি পরীক্ষার কথা বিবেচনায় রেখে মধ্য জুলাইয়ে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
জানা গেছে, বৈঠকে ২১টি ইউপি সাধারণ, ২০টি ইউপির বিভিন্ন পদে উপ-নির্বাচন, সাতটি পৌরসভায় সাধারণ, ১০টির মতো পৌরসভার বিভিন্ন পদে উপ-নির্বাচন এবং তিনটি উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এদিকে ২০টির মতো ইউপির বিভিন্ন পদে উপ-নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া তিনটি উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।
নির্বাচন উপযোগী পৌরসভাগুলোর মধ্যে রয়েছে- পিরোজপুরের নবগঠিত ভান্ডারিয়া, চট্টগ্রামের দোহাজারী, শরীয়তপুরের গোসাইরহাট, কুমিল্লার দেবিদ্বার পৌরসভা।

নির্বাচন উপযোগী অন্যান্য পৌরসভা হলো- পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া, চাঁদপুরের ছেংগারচর ও যশোরের বেনাপোল পৌরসভা। এছাড়া ইসিকে প্রায় ১০টির মতো পৌরসভার বিভিন্ন পদে উপ-নির্বাচন করতে হবে।