বাজারের সিন্ডিকেটের খোঁজ পেলে ব্যবস্থা নেয়া যেত: পরিকল্পনামন্ত্রী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন এম এ মান্নান।
মার্কেটার্স ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ (এমআইবি) এর উদ্যোগে দুই দিনের সম্মেলনের সমাপনী ও বাংলাদেশ মার্কেটিং ডে’র সূচনাপর্বের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী।
বাজারের সিন্ডিকেটের খোঁজ পেলে ব্যবস্থা নেয়া যেত: পরিকল্পনামন্ত্রী
বাংলাদেশের অর্থনীতিকে উদীয়মান অর্থনীতি উল্লেখ করে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এ ধরনের অর্থনীতিতে কিছু বিকৃতি থাকবেই, লাভ বা মুনাফার সুযোগ নেবেই
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিন্ডিকেট ধরা যায় না, অধরা থেকে যায়। তবে এটা সাময়িকভাবে বাজারের ভেতরেই থাকতে পারে। সিন্ডিকেট হয়, সিন্ডিকেট ভাঙে, নতুন সিন্ডিকেট হয়।
আরেক প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, শ্রীলঙ্কার অর্থনীতির আকার আমাদের অর্থনীতির ১০ ভাগের এক ভাগও নয়। কিছু সূচকে শ্রীলঙ্কা আবার আমাদের চেয়ে এগিয়ে। শ্রীলঙ্কা যদি ঘুরে দাঁড়িয়ে থাকে, ভালো। আই এপ্রিশিয়েট। আমরাও ঘুরে দাঁড়াচ্ছি, দাঁড়াবো।
এর আগে মার্কিটিং ডে উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি বলেন, ব্যবসায় প্রবৃদ্ধি অর্জনে টেকসই বিপণনের বিকল্প নেই এবং সেক্ষেত্রে প্রয়োজন দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন।
তিনি বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে এবং ইতিমধ্যে বাংলাদেশ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে প্রবেশ করেছে। সেক্ষেত্রে দক্ষ মানব সম্পদ গঠন করতে মার্কেটার্স ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ সুচিন্তিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
এমআইবি’র এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরিবর্তিত বিশ্ব অর্থনীতির সাথে তাল মিলিয়ে ব্যবসায় প্রবৃদ্ধি অর্জনে টেকসই বিপণনে জোর দেয়ার আহবান এসেছে দেশের বিপনন বিভাগীয় কর্মকর্তাদের কাছ থেকে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেছেন এমআইবি’র সভাপতি অধ্যাপক মীজানুর রহমান।
অধ্যাপক মীজানুর রহমান বলেন, প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন, বিশ্বায়ন এবং অধিকতর সামাজিক দায়বদ্ধতার কারণে টেকসই বাজারজাতকরণ ভবিষ্যতে আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
দেশে ষষ্ঠবারের মত উদযাপিত হয়েছে বাংলাদেশ মার্কেটিং ডে। দেশের প্রায় পঞ্চাশ লাখ মার্কেটিং পেশাজীবী দু’দিনব্যাপী এই উৎসবে অংশগ্রহণ করে।