নতুন ধান বাজারে আসার পরও চালের বাজারের অস্থিরতা কমছে না। বড় এজেন্সি ও মিলাররা মূল্য বাড়ানোয় বাজারে এর প্রভাব পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পাইকার ও খুচরা বিক্রেতারা।দিনাজপুরে বাজারে আমন ধানের যোগাড় বাড়লেও পাল্লা দিয়ে বেড়েই চলেছে চালের দাম।
জেলার বৃহৎ পাইকারি মার্কেট বাহাদুর বাজারে ১০ দিনের ব্যবধানে চিকন চাল প্রকারভেদে প্রতি মণে বেড়েছে ১৫০ হতে ৩০০ টাকা পর্যন্ত।
এ বাজারে মিনিকেটের দাম বেড়ে প্রতি কেজি ৭২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া নাজিরশাইল ৮৩ টাকায়, বাসুমতি ৮৫ টাকায়, কাটারি সিদ্ধ ১১৫ টাকা হতে ১২০ টাকায়, কাটারি আতপ ১২০ টাকায়, চিনিগুঁড়া ১২৮ টাকায়, গুটিস্বর্ণ ৫০ টাকায়, ২৯ চাল ৫৮ টাকায় এবং ২৮ চাল ৬২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজারের অস্থিরতা কোনভাবেই কমছে না
এতে বিপাকে পড়েছেন ক্রেতারা। চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সরকারের পর্যবেক্ষণের দাবি করেন তারা। এক ক্রেতা বলেন, সম্প্রতি চালের বাজারের যে অবস্থা, এতে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্য চলা খুবই কষ্টসাধ্য।এদিকে পাইকার ও খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, বড় বড় কোম্পানি ও মিলাররা মূল্য বাড়ানোয় এর প্রভাব খুচরা বাজারে পড়েছে।

এক পাইকারি বিক্রেতা বলেন, গত দুই হতে তিন ধরে বাজারে মোটা চালের মূল্য বেশি। বস্তায় ২০ হতে ২৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বিশেষ করে আতপ চালের দাম বেশি বেড়েছে।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতো, দিনাজপুরে এবার ২ লাখ ৬০ হাজার হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছে। আর চালের লক্ষ্যমাত্রা ৭ লাখ ৭৭ হাজার টন।
আরও দেখুনঃ
