বাংলাদেশসহ ৪০ দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ

Table of Contents

বাংলাদেশসহ ৪০ দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ।জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস দেশগুলোর মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এসব দেশের ক্ষমতাবান গোষ্ঠীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রতিশোধস্পৃহা থেকে বেরিয়ে এসে ‘ডু নট হার্ম’ নীতি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। 

বাংলাদেশসহ ৪০ দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ

কো অপারেশন উইথ ইউনাইটেড নেশনস, ইট’স রিপ্রেজেন্টেটিভস অ্যান্ড মেকানিজমস ইন দ্য ফিল্ড অব হিউম্যান রাইটস’ নামে একটি রিপোর্ট গত বৃহস্পতিবার প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা ইউনাইটেড নেশনস হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল (ইউএনএইচআরসি)। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইউএনএইচআরসির চলমান সেশনে রিপোর্টটি পেশ করা হয়। আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত এই সেশন চলবে।

৪০টি দেশের তথ্যের ভিত্তিতে রিপোর্টটি প্রস্তুত করা হয়েছে। দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, আলজেরিয়া, অ্যান্ডোরা, বাহরাইন, বেলারুশ, বুরুন্ডি, ক্যামেরুন, চীন, কলম্বিয়া, কিউবা, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব (ডিআর) কঙ্গো, জিবুতি, মিশর, ফ্রান্স, গুয়েতেমালা, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, ইরাক, ইসরায়েল, সৌদি আরব, লিবিয়া, মালদ্বীপ, মালি, মেক্সিকো, মিয়ানমার, নিকারাগুয়া, ফিলিপাইন, কাতার, রাশিয়া, দক্ষিণ সুদান, তানজানিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভিয়েতনাম, ভেনেজুয়েলা, ইয়েমেন এবং ফিলিস্তিন।

২০২২ সালের ১ মে থেকে ২০২৩ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সংগ্রহ করা বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে ইউএনএইচআরসির এ রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই চল্লিশ দেশের অন্তত ২২০ জন ব্যক্তি ও ২৫টি প্রতিষ্ঠান সরকার এবং প্রভাবশালী গোষ্ঠীর লাগাতার হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রতিশোধ পরায়ণতার শিকার হয়েছে। বৃহস্পতিবার ইউএনএইচআরসির প্রধান ও জাতিসংঘের সহকারি মহাসচিব ইলজে ব্র্যান্ডস কেহরিস বলেন, বিভিন্ন প্রতিকূলতার কারণে তারা উৎপীড়ণের শিকার ব্যক্তি ও গোষ্ঠীগুলোর সঠিক সংখ্যা তুলে আনতে পারেননি। বাস্তবে এই সংখ্যা আরও অনেক বেশি।

সোমবার এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের মহাসচিব এই রিপোর্ট  প্রসঙ্গে বলেন, ‘জাতিসংঘ সব রকম ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রতিশোধমূরক তৎপরতা বন্ধে পদক্ষেপ নিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ভিন্নমত পোষণকারীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও উৎপীড়নের ব্যাপারে জাতিসংঘ জিরো-টলারেন্স নীতি মেনে চলে এবং জাতিসংঘ মনে করে, আলাপ আলোচনা ও সংলাপের ভিত্তিতে যাবতীয় সমস্যার সমাধান সম্ভব। সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে আরও গণতান্ত্রিক করে তুলতে আমাদের প্রয়াস অব্যাহত থাকবে।’

Leave a Comment