ফিফা র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ, বাংলাদেশ অপরিবর্তিত

ফিফা কর্তৃক নতুনতম বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করা হয়েছে। তালিকায় শীর্ষ স্থানে পরিবর্তন না হলেও কিছু দেশ নতুন ইতিহাস রচনা করেছে। এইবারও শীর্ষস্থান দখল করেছে ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন স্পেন। তাদের পরেই অবস্থান করছে লিওনেল মেসির দেশ আর্জেন্টিনা। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ৫ নম্বরে অবস্থান করছে। আগের মতোই ফ্রান্স তৃতীয়, এরপর ইংল্যান্ড, ব্রাজিল, পর্তুগাল ও নেদারল্যান্ডস।

বাংলাদেশের অবস্থান অপরিবর্তিত থেকে ১৮০তম স্থানে আছে। প্রতিবেশী ভারত এক ধাপ এগিয়ে ১৪১তম স্থানে পৌঁছেছে। বাংলাদেশকে ধাক্কা দিয়ে নেপাল দুই ধাপ নিচে অবস্থান করছে। সাফ অঞ্চলের অন্য দুই দেশ শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান যথাক্রমে ১৯৪ ও ১৯৯তম স্থানে রয়েছে।

বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের ফলাফলের কারণে। ফাইনালে সেনেগালের কাছে পরাজিত হলেও মরক্কো তাদের ইতিহাসের সর্বোচ্চ র‌্যাঙ্কিং অর্জন করেছে। তারা তিন ধাপ এগিয়ে ৮ম স্থানে উঠেছে। ২০২২ সালের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে পৌঁছানো দলগুলোর মধ্যে মরক্কোর আগে সর্বোচ্চ অবস্থান ছিল ১৯৯৮ সালের এপ্রিলে ১০ম। সেনেগাল সাত ধাপ এগিয়ে ইতিহাসসেরা অবস্থান ১২তম স্থানে পৌঁছেছে।

অন্য আফ্রিকান এবং আরব দেশগুলোর রেকর্ডও নজরকাড়া। আফ্রিকান দলের মধ্যে সর্বোচ্চ র‌্যাঙ্কিং ছিল নাইজেরিয়ার, যা ১৯৯৪ সালে পঞ্চম স্থানে ছিল। আরব দেশের মধ্যে মিশরের সর্বোচ্চ র‌্যাঙ্কিং ছিল ২০১০ সালের জুলাইয়ে ৯ম স্থানে। চলতি র‌্যাঙ্কিংয়ে আফ্রিকান দল নাইজেরিয়া তৃতীয় স্থান অধিকার করে ২৬তম স্থানে উঠে এসেছে। সেমিফাইনালিস্ট মিশর চার ধাপ এগিয়ে ৩১তম স্থানে অবস্থান করছে। আলজেরিয়া তিন ধাপ পিছিয়ে গেছে।

নিচের টেবিলটি সাম্প্রতিক কিছু উল্লেখযোগ্য দেশের অবস্থান দেখাচ্ছে:

দেশবর্তমান র‌্যাঙ্কপরিবর্তনমন্তব্য
স্পেনশীর্ষে অপরিবর্তিত
আর্জেন্টিনালিওনেল মেসির দেশ
ফ্রান্সআগের মতো
ইংল্যান্ডআগের মতো
ব্রাজিলপাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন
মরক্কো+3ইতিহাসসেরা র‌্যাঙ্কিং
সেনেগাল১২+7ইতিহাসসেরা র‌্যাঙ্কিং
বাংলাদেশ১৮০পরিবর্তন নেই
ভারত১৪১+1বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে
নেপাল১৮২-2বাংলাদেশের নীচে
শ্রীলঙ্কা১৯৪সাফ অঞ্চলের অবস্থান
পাকিস্তান১৯৯সাফ অঞ্চলের অবস্থান

ফিফা র‌্যাঙ্কিং নতুন তথ্য এবং সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের ভিত্তিতে নিয়মিত হালনাগাদ করা হয়। বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য যদিও বড় পরিবর্তন না হলেও প্রতিবেশী দেশগুলোর অগ্রগতি ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতায় নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।