প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানে থাকছেন

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উঠবেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি গুলশান অ্যাভিনিউ ১৯৬ নম্বরে নিজের বাসাতেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পর নিজের গুলশানের ছোট বাসাতেই উঠেছেন। সেখানে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। তাই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় না থেকে নিজের বাসাতেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বাসাটি সেই অনুযায়ী সাজানো-গোছানো হয়েছে।”

উল্লেখ্য, গুলশান এলাকার এই বাসা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত স্থাপনা। অতিরিক্ত প্রেস সচিব রুমন বলেন, বাসাটিতে প্রয়োজনীয় সকল নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান নিশ্চিন্ত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।

ঈদ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রমের সূচি নিম্নরূপ:

সময়কার্যক্রম
সকাল ৮টাজাতীয় ঈদগাহ ময়দানে উপস্থিত হয়ে সকল স্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের প্রধান জামাতে নামাজ আদায়
সকাল ১০টারাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকাল ৮টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে উপস্থিত হয়ে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নেবেন। এ সময় তিনি সাধারণ মানুষ, রাজনৈতিক নেতারা এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একসাথে নামাজ আদায় করবেন। নামাজ শেষে, সকাল ১০টার পর তিনি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় দেশের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

প্রধানমন্ত্রী নিজ বাসায় অবস্থান করলেও তার নিরাপত্তা ও অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনা পূর্ণভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। গুলশান এলাকার নিরাপত্তা চক্র এবং পুলিশের উচ্চ পর্যায়ের টিম বাসার চারপাশে দায়িত্ব পালন করবে।

এতে দেখা যায় যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য এবং নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিয়ে নিজ বাসাতেই অবস্থান করছেন, যা সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক মহলে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। একই সঙ্গে, ঈদুল ফিতরের আনন্দ ও সামাজিক মিলনক্ষেত্রের অংশ হিসেবে তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করবেন।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিরা ঈদগাহ ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অংশগ্রহণের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এটি একটি ঐতিহ্যবাহী সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠান হিসেবে প্রতিটি বছরের মতো এবারও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।