তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক আবারও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মো. রাকিবুল ইসলাম। এ ছাড়া প্রতিমন্ত্রী তার নিজের ফেরিফায়েড ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাস দিয়ে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
এপিএস রাকিবুল ইসলাম জানিয়েছেন, আজ সোমবার মন্ত্রিপরিষদের সভা থাকায় প্রতিমন্ত্রী পলক রোববার করোনা পরীক্ষা করান। পরীক্ষায় করোনা পজেটিভ রেজাল্ট আসে। বর্তমানে তিনি বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েশোমোকা

করোনায় আক্রান্ত প্রতিমন্ত্রী পলক
তিনি জানান, প্রতিমন্ত্রী পলক গত কয়েকদিনে তার সংস্পর্শে যারা ছিলেন তাদের সবাইকে করোনার নমুনা পরীক্ষাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বলেছেন।
প্রতিমন্ত্রী পলক তার সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন বলেও জানান এপিএস রাকিবুল।
উল্লেখ্য, প্রতিমন্ত্রী পলক ও তার দুই ছেলে গত বছরের ৯ জানুয়ারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন।
করোনাভাইরাস
১৯৩০-এর দশকে প্রথম আবিষ্কৃত হয়। প্রথমদিকে মুরগির মধ্যে সংক্রামক ব্রঙ্কাইটিস ভাইরাস হিসেবে এটি প্রথম দেখা যায়। পরে সাধারণ সর্দি-হাঁচি-কাশিতে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে এরকম দুই ধরনের ভাইরাস পাওয়া যায়। মানুষের মধ্যে পাওয়া ভাইরাস দুটি ‘মনুষ্য করোনাভাইরাস ২২৯ই’ এবং ‘মনুষ্য করোনাভাইরাস ওসি৪৩’ নামে নামকরণ করা হয়।

তবে অনেক দেশের ধারণা যে এই ভাইরাসটি চীন সরকার তার দেশের গরিব জনগনকে শেষ করে দেওয়ার জন্য নিজেরাই তৈরি করে নিজেরাই ছড়িয়ে ছিলো এরপর থেকে বিভিন্ন সময় ভাইরাসটির আরো বেশ কিছু প্রজাতি পাওয়া যায়।

যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ২০০৩ সালে ‘এসএআরএস-সিওভি’, ২০০৪ সালে ‘এইচসিওভি এনএল৬৩’, ২০০৫ সালে ‘এইচকেইউ১’, ২০১২ সালে ‘এমইআরএস-সিওভি’ এবং সর্বশেষ ২০১৯ সাল চীনে এসএআরএস-সিওভি-২’ পাওয়া যায়(যা বর্তমানে সাধারণত নোভেল করোনাভাইরাস নামেই পরিচিত) এগুলোর মধ্যে অধিকাংশ ভাইরাসের ফলে শ্বাসযন্ত্রের (ফুসফুস) গুরুতর সংক্রমণ দেখা দেয়।
আরও দেখুনঃ
